সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান বিভাগের সিনিয়র সচিবের দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনজায়েদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন, সৎ ও মেধাবী হওয়ার সাথে সাথে উত্তম চরিত্র গঠন করতে হবে তালামিয কর্মীদের—প্রতিবছরই নেওয়া লাগতে পারে করোনার টিকাএকাধিক মামলার আসামী মাদক ব্যবসায়ী রাশেল মিয়া ওরফে সুমন গ্রেফতারমুজতবা হাসান চৌধুরী নুমান বলেছেন একটি আদর্শ সমাজ গঠনে এক দল পরিশুদ্ধ মানুষ প্রয়োজনবিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে বিশ্বনাথের মাকুন্দা নদীতে নৌ-যাত্রা৩ সপ্তাহ যাওয়ার ৩ তিন কোটি টাকার রাস্তায় ফাটলউত্তর কুশিয়ারা আন্তর্জাতিক অনলাইন গ্রুপের বাংলাদেশ সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে সাইদুল ইসলাম মিনুরকে সংবর্ধনা প্রধানবিদ্যালয়ের ভবন উদ্ভোধন উপলক্ষ্যে বিশ্বনাথে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলচেতনানাশক খাইয়ে পটুয়াখালীতে তাবলীগ জামাত সদস্যদের মালামাল লুট

১৮৪০ পিচ ইয়াবাসহ মা-ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পটুয়াখালী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর-২

মোঃমিজানুর রহমান, পটুয়াখালী প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীতে ১৮৪০ পিচ ইয়াবাসহ মা-ছেলেকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
পটুয়াখালী পৌরসভাধীন ১নং ওয়ার্ড টাউন জৈনকাঠী এলাকা থেকে মোঃ রফিকুল ইসলাম মুরাদ(২৬) ও রহিমা বেগম নামের দু’জনকে ১৮৪০ পিচ ইয়ারা সহ গ্রেফতার করেছে পটুয়াখালী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ক’ সার্কেল সদস্যবৃন্দরা।

বেলা ১.৪০ মিনিটের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রফিকুল ইসলাম মুরাদ ও মা,রহিমা বেগমকে তার নিজ বাসা থেকে ১৮৪০ পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যরা। এই অভিযান পরিচালনাকালে পটুয়াখালী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ক’ সার্কেলের পরিদর্শক মোহাম্মদ আবু রেজা মেহেদী হাসান ও উপ-পরিদর্শক সোহান সহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ সঙ্গীয় ফোর্সের সহায়তায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করেন বলে জানাযায়।

এসময় মুরাদের মা’রহিমা বেগম মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সদস্যদের উৎকুসের চেষ্টা করায় ছেলেকে গ্রেফতারের হাত থেকে রক্ষা করার অপচেষ্টা চালানোর অপরাধে মা,রহিমা সহ ১নং আসামী মুরাদের স্ত্রী তাকেও জিঞ্জাসা বাবদ গ্রেফতার করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোহাম্মদ আবু রেজা মেহেদী হাসান।এব্যপারে অভিযুক্ত মুরাদ’কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমি অপরাধী আমার সাস্তী হোক কিন্তুু আমার মাকে ছেড়ে দেয়া হোক তিনি অসুস্থ রোগী। তবে আমার কাছে এতো ইয়াবা ছিল না সর্বোচ্চ ৮/৯ শত হতে পারে তবে আঠারোসো চল্লিশ পিস কিভাবে হলো আমার জানা নেই।

খোজনিয়ে জানাযায়, পটুয়াখালী জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে কোন নারী কনেস্টবল এখন পর্যন্ত নিয়োগ না থাকায় নাসিক ভাড়ায় চালিত রিনা বেগম’ অফিসের পার্শে ভাড়া বাসায় থাকেন তিনি। প্রতিদিনের মতোই গত ১৪ ই সেপ্টেম্বর বেলা ১১ ৪০ মিনিটে সমায় রিনা বেগমকে নারী আসামীদের তল্লাশির কাজে নেয়া হয়। এবং মাস শেষে কিছু টাকা বেতন হিসেবে দেয়া হয় এমনটাই জানালেন রিনা বেগম। এসময় তিনি আরো বলেন, আসামীর সাথে কোন মাদক পাওয়া যায় নি, ঘড় তল্লাশি করে মাদক পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।

এবিষয় পটুয়াখালী জেলার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোহাম্মদ আবু রেজা মেহেদি হাসান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মাদক বিরোধী অভিযান করেছি পটুয়াখালী জেলার ১নং ওয়ার্ডে মৃধা বাড়ীতে তল্লাশি চালিয়ে ১৮৩০ পিস, ওরেন্স কালার, ও গ্রীন কালার ১০ পিস মোট ১৮৪০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছি এবং মা,ছেলেকে আটক করেছি সাথে ছেলের বউকে জিঞ্জাসা বাবদ অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে বলে তিনি জানান।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000