মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:১৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ফ্রান্সে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপনবাকোডিসির পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে বাড়ি নির্মান ও গবাদিপশু বিতরণদূর্গাপূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন সৈয়দপুর পৌর মেয়েরপরারাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়বকশীগঞ্জে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনআন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্বনাথে পিএফজির মানববন্ধনওসমানীনগরে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণওসমানীনগরের রাসেল সিলেট ল কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোনীতইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান -২০২২ জনসচেতনতামৃলক সভাদুর্গাপুজা উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের সাইবার সেল ও মনিটরিং সেল গঠন

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠকারী এম এ হান্নান সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়ে সমালোচনায় হানিফ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ আগস্ট, ২০২২
  • ৯০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবউল আলম হানিফ বলেছেন, ‘২৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হান্নানের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা থানায়। তিনি ব্যবসায়িক সূত্রে চট্টগ্রামে বসবাস করতেন। সেখানেই রাজনীতি করেন এবং তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।



এম এ হান্নানের বাড়ি চুয়াডাঙ্গার পরিবর্তে মেহেরপুর হওয়ায় এনিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিলেন। যার ফলে বাঙালিরা স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে। ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চ লাইটের পর বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তারের পূর্বে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। এম এ হান্নান প্রথমে ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। এরপর ২৬ তারিখ বিকেলে আওয়ামী লীগ নেতা বিল্লাল আহমেদ ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। পরদিন ২৭ মার্চ বিল্লাল আহমেদ ও কায়কোবাদ সারাদিন ঘোষণাপত্র পাঠ করতে থাকেন। পরে বিকেল পাঁচটায় জিয়াউর রহমান চতুর্থ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।’

অন্যদিকে জানা যায়, এম এ হান্নানের জন্ম ১৯৩০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার খাসপুর গ্রামে। তার পিতা মওলানা মোহাম্মদ মুহিবুর রহমান ব্রিটিশ ভারতে কংগ্রেস ও পরে মুসলিম লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ভারত বিভাগের পর মুহিবুর রহমান ১৯৪৮ সালে সপরিবারে মেহেরপুর জেলার আমঝুপিতে এসে বসতি স্থাপন করেন।

এছাড়া তিনি মেহেরপুরের দারিয়াপুর হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং কুষ্টিয়া কলেজ থেকে আই.এ পাস করেন। ঢাকার জগন্নাথ কলেজে বি.এ অধ্যয়নকালে তিনি ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। পরে তিনি চট্টগ্রামে সিটি কলেজে নৈশ বিভাগে ভর্তি হন।

কিন্তু আলোচনা সভায় বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ এই নেতা। এম ডি সাব্বির আহমেদ নামে একজন ফেসবুকে লিখেছেন, চুয়াডাঙ্গা -আলমডাঙ্গার পরিচিত ব্যক্তিবর্গের কাছে বিষয়টি জানতে চান। কালাম আজাদ নামে এক ব্যক্তি বলেন, আলমডাঙ্গার বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান আর স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া এম এ হান্নান সম্পূর্ণ আলাদা ব্যক্তি। রাকিবুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বলেন, আব্দুল হান্নানের বাপ ছিলো চাকরিজীবী। বদলি জনিত কারণে তিনি মেহেরপুরের আমঝুপিতে থাকতেন। এছাড়া সালমুন আহমেদ দাওয়ান নামে এক ব্যক্তি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আলমডাঙ্গার কেউ জানলো না। এখন তো মনে হচ্ছে, আমরা আলমডাঙ্গাবাসী সবাই রোহিঙ্গা!

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000