বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
রাজনগরের জোড়া খুনের ৫আসামী গ্রেফতারবকশীগঞ্জে বিনামূল্যে সার ও মাসকালাই বীজ বিতরণরাজনগরের সোনাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ম্যানজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক আব্দুল হাকিম রাজসৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে আল্ট্রা সনোগ্রাম মেশিন থাকলেও সেবা থেকে বঞ্চিত রোগীরাবিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে সিভি জমা দিলেন ১০ আ’লীগ নেতাবিশ্বনাথ পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী মো. দবির মিয়া সকলের দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেনসিলেট-সুনামগঞ্জ মহা সরক দূর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ২শান্তিগঞ্জে জামায়াতের পক্ষ থেকে নতুন ঘর প্রদানরাজনগরে জমি সংক্রান্ত বিরোধে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ২ জন নিহত,আহত ৪চরগরবদি চরাঞ্চলে লাঠিয়াল বাহিনীর তান্ডব, ৫ একর জমির রোপা আমনের ক্ষেত বিনস্ট

সৈয়দপুরের বিশিষ্ট জনেরা বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে অপপ্রচারে অতিষ্ঠ

মোঃজাকির হোসেন,নীলফামারী প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৯৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সংবাদপত্রের নীতিমালাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সম্পূর্ণ মনগড়া তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে নগ্ন অপপ্রচার চালিয়ে ইমেজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলার কারনে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সৈয়দপুর শহরের বিশিষ্ট জনেরা। একটি সংবাদপত্রে আজগুবি, অসত্য ও তথ্যসূত্রহীন বালখেল্যপনা ধরনের খবরের নিয়মিত পরিবেশনায় সচেতন সৈয়দপুরবাসীর মাঝেও দেখা দিয়েছে বিড়ম্বনা।
বিচলিত হয়ে উঠেছেন বোদ্ধা মহল। সৈয়দপুর উপজেলার শতাধিক সংবাদকর্মীর মাঝে মাত্র একজনই রোহিঙ্গার মত নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত হয়ে এসে এই অপকর্মে লিপ্ত। নামের শেষে হক লকবধারী লকব নামেই সমধিক পরিচিত ওই ব্যক্তি নিজেকে সংবাদকর্মী পরিচয় দিলেও সংবাদের সাথে তার ন্যুনতম সম্পর্ক নেই। সংবাদের অর্থও হয়তো জানেনা।তাইতো থেকে থেকে আবোল তাবোল প্যাঁচাল এর মত যেসব লেখা তার নামে পত্রিকায় ছাপা হয় তাতে যেমন ব্যাকরণগত ত্রুটির বহুল উপস্থিতি দেখা যায় তেমনি ভাষাজ্ঞানের চাড়ালিপনাও থাকে প্রকটভাবে। সংবাদপত্রের নীতিমালাকে চরমভাবে অবজ্ঞা করে ন্যুনতম মানবিক ও সামাজিক বোধ এবং নৈতিকতা বিবর্জিত ওইসব লেখা দেখেই বোঝা যায় তার শিক্ষা, জ্ঞান ও রুচিবোধের পরিসীমা।
একজন মানুষ কতটা জঘন্য হলে এভাবে প্রচলিত ধারার বিপরীতে গিয়ে খামখেয়ালিতে নিয়োজিত হতে পারে তা যে কোন মানুষের স্বাভাবিক ভাবনাতেও আসবেনা। কারণ সাধারণ কোন ব্যক্তিও যে ভাষাতে কথা বলতে দ্বিধাবোধ করেন। এমনকি ঝগড়া বিবাদের সময়ও রাগান্বিত হয়ে আক্রোশবশতঃ যে কথাগুলো উচ্চারণ করেনা। সেখানে তিনি অবলীলায় ওই ধরনের নোংরা ও শ্রুতিকটু ভাষায় সংবাদ লেখেন। তিনি নিজেকে দূর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাসেবী সৈনিক বলে নিজস্ব মহলে বাগাড়ম্বর করলেও তার উদ্দেশ্য অনৈতিক ও স্বার্থপরতাযুক্ত। তাইতো তিনি বেছে বেছে টার্গেটকৃত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ তুললেও তার নিকটাত্মীয় সরকারী সম্পত্তি দখলবাজ, চোরাই ও অসুস্থ পশুর মাংস বিক্রেতা হাট ইজারাদার এর চাক্ষুস ও প্রমাণিত অপকর্ম নিয়ে একেবারেই নিশ্চুপ। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে
নানা অপকর্মের সাথে বিশিষ্ট জনদের নাম জড়িয়ে অসত্য, তথ্যসূত্রহীন উড়ো খবর প্রকাশ করছেন।
যেগুলোকে খবর বলাও ঠিক নয়। বরং ‘ফেইক এন্ড পেইড’ সর্বস্ব বিজ্ঞাপন। যা একটি চক্রের মদদপুষ্ট হয়ে মিথ্যে অপপ্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করছে উচ্ছিষ্টভোগী ওই ব্যক্তি। সৈয়দপুরের সচেতন মানুষ এই মিথ্যেচার সম্পর্কে অবগত হলেও গোয়েবলেসীয় কায়দায় একই মিথ্যে সংবাদ বার বার প্রকাশ করে ব্যক্তি বিশেষের বিপক্ষে একটা প্রোপাগান্ডার বলয় সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সম্মানী ব্যক্তিদের ইমেজ নিয়ে ছিনিমিনি খেলায় মত্ত হয়ে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ফায়দা হাসিলের এই ভণ্ডামিতে কেউ কেউ বিভ্রান্তও হচ্ছেন। এতে সমাজে একটা অস্থিরতা তৈরী হচ্ছে। কখনও কখনও ব্যক্তির সাথে সাথে জনগোষ্ঠী বা জাতির প্রতি উস্কানিমুলক দোষারোপ করায় জাতিগত উত্তেজনাও দেখা দিচ্ছে। হক’র এহেন নাহক কর্মকাণ্ডতে সৈয়দপুরের বিশিষ্টজনেরা চরমভাবে অতিষ্ঠ হয়ে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্তে উপনিত হয়েছে। ইতোপূর্বেও তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। এখন সম্মিলিতভাবে অভিযোগ করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পত্রিকার বিরুদ্ধেও নিয়মতান্ত্রিক পদক্ষেপ নেয়া হবে।কারণ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে পত্রিকাটির সম্পাদনা ও প্রকাশনার সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রুচিবোধ ও অবিবেচক ভুমিকা নিয়ে। কি করে তারা এহেন ভাষাজ্ঞানহীন একজনের একগুঁয়ে বাচালতা ও নীতি বিবর্জিত জগাখিচুড়ি লেখা প্রকাশ করছেন অবলীলায়? তবে কি খবরগুলো ‘ফেইক’ হলেও শুধু ‘পেইড’ হওয়ায় ছাপা হচ্ছে বিবেক বেচে?তাই যদি না হবে তাহলে এমন একজনকে কেনইবা প্রতিনিধি হিসেবে রাখা হয়েছে। যে কিনা সংবাদ দূরে থাক ন্যুনতম গরুর রচনা লিখতেও অপারগ। তাইতো সৈয়দপুরে সংঘটিত বিভিন্ন ঘটনা, জনদূর্ভোগ, সমস্যা সম্ভাবনা, কৃষি-শিল্প-বানিজ্য ক্ষেত্রের উন্নয়ন-সমৃদ্ধি, মানুষের প্রত্যাশা-সাফল্য, শিক্ষার প্রসার ও প্রতিভার বিকাশ সংক্রান্ত কোন খবরই কখনও তার পত্রিকায় আনতে পারেননি।অনুসন্ধানী সংবাদ, ফিচার বা প্রতিবেদন লেখার কথাতো স্বপ্নেও ভাবেননা। কারণ এগুলোতো অনেক পরের কথা, সামান্য দৈনন্দিন ঘটে যাওয়া ঘটনার তাৎক্ষণিক খবর (কারেন্ট নিউজ) লিখতে গিয়ে ঘেমে একাকার হয়ে যান। আর এইজন্যই তিনি মাঝে মাঝে মনে যা আসে তাই লিখে সাথে ফ্লাক্সি বা বিকাশ মানি দিয়ে কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে পত্রিকায় জায়গা (স্পেস) বরাদ্দ নেন সেগুলো ছাপানোর জন্য।
এধরনের উদাহরণ সংবাদপত্র বা মিডিয়া জগতের জন্য খুবই উদ্বেগজনক। মিডিয়ার প্রতি জনমানুষের যে বিশ্বাস বা বোধ তা নষ্ট করছে এইসব দুষ্টু চক্র। এদের এখনই প্রতিরোধ করতে হবে। নয়তো এর খেসারত সব মহলকেই দিতে হবে বলে মনে করেন বিজ্ঞ জনেরা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000