বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ইউপি নির্বাচনে ২৯ চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ২৭৩ জনের মাঝে প্রতীক বরাদ্দকুমিল্লার দেবীদ্বারে টানাবর্ষণে কৃষকের ২৭৯৩ হেক্টর জমি পানিতে তলিয়েগেছেশফিউল আলম চৌঃ নাদেল বলেন,নিজের কর্মগুনেই তজম্মুল স্যার মানুষের অন্তরে বেঁচে থাকবেন চিরকালবাঙ্গালীপুরের ভোটের হাওয়া এবার সাইদুল হক বাবলুর অনুকূলে, সরগরম হাট মাঠ পাড়া মহল্লাবিশ্বনাথে নাট্যকর্মী জুয়েল আহমদ প্রবাস গমণ উপলক্ষ্যে সংবর্ধণা ও থিয়েটার আড্ডাসিলেটের বিশ্বনাথে পিএফজি’র ফলোআপ সভা অনুষ্টিতসিলেটে ঘোপালে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ যুবক নিহত, আহত ১৫ জনতৃণমূলের ভোটে বিজয়ীকে বাদ দিয়ে হত্যা মামলার চার্জশিটভূক্ত আসামীর হাতে নৌকা দেওয়া হলোসৈয়দপুর বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার পদে মহিরের বিকল্প নাইপটুয়াখালীর দুমকিতে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে

সুরমা-কুশিয়ারাসহ সিলেটের ৭৮টি নদী-খাল খননের উদ্যোগ পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১
  • ১২৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ফারুক আহমদ:. সুরমা-কুশিয়ারাসহ সিলেট জেলার ৭৮টি ছোট-বড় নদ-নদী ও খাল খনন করার উদ্যোগ নিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সুপারিশের ভিত্তিতে এ উদ্যোগ নেয় হয়েছে।

সিলেট জেলার প্রধান নদী সুরমা-কুশিয়ারাসহ ছোট-বড় নদী ও খালগুলো নাব্যতা হারিয়ে বিপন্নের পথে। নদী ভরাটের কারণে বোরো চাষীরা হাহাকার করেন ওই মৌসুমে। সুরমা-কুশিয়ারা এখন যৌবনহারা। এমনকি ভাঙনের কবলে বদলে গেছে সিলেটের কয়েকটি অঞ্চলের মানচিত্র।

সিলেটের নদ-নদী ও খালসমূহ অতীতে একাধিবার খননের উদ্যোগ নিয়েও তা বাস্তবায়িত হয়নি। বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন কিছুদিন আগে সিলেটের নদ-নদী ও খালসমূহের নাব্যতা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে দ্রুত খনন করতে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে ডিও লেটার প্রেরণ করেন।

প্রেরিত ডিও লেটার প্রাপ্তির পর পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) একটি টিম নদী ও খালগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দাখিল করেন এবং পরবর্তীতে কানাইঘাট উপজেলার নকলা ও জৈনকা খাল খনন করা হয়। এছাড়াও বাকি ৭৬টি নদী ও খাল দ্রুত খননের উদ্যোগ নিয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়। বিষয়টি গত ২৪ জুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরাবরে জানান পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি।

উল্লেখ্য, সিলেটে পানির বড় উৎস সুরমা ও কুশিয়ারা নদী। এই দুই নদীর নাব্য হারিয়ে যাচ্ছে বলে অন্যান্য নদী এবং খালের মাছ ও জলজ উদ্ভিদও মরে যাচ্ছে। ২১৭ মাইল দীর্ঘ সুরমা নদী বিভিন্নস্থান এখন ভরাট। এক সময় এসব নদী দিয়ে চলাচল করত পণ্যবাহী জাহাজ। যা এখন কল্পনাও করা যায় না। নৌকা চালালেও আটকে যায় বিভিন্ন স্থানে। সুরমা-কুশিয়ার ছাড়াও সিলেটের অন্যান্য নদী এবং খালও নাব্যতা হারিয়ে আজ বিপন্ন প্রায়।

সিলেট জেলার উপজেলাগুলোতে প্রবাহমান নদীগুলো হচ্ছে- সুরমা, কুশিয়ারা, পিয়াইন, সারী, পুরকচি, কাপনা, ডাকসা, বাসিয়া, বড়রাখা, বেটুয়া, জুরী, সোনাই, বড়গাং, ধামাই, ক্ষেপা, কাটা, মরাকাপনা, বড়ডারগা, ধলাই, বাজাসিং, মাকুন্দ, কাপনা, ব্রাক্ষণা, হাটখোলা , চেঙ্গরথাল ও কুড়া নদী।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000