সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৫:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান বিভাগের সিনিয়র সচিবের দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনজায়েদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন, সৎ ও মেধাবী হওয়ার সাথে সাথে উত্তম চরিত্র গঠন করতে হবে তালামিয কর্মীদের—প্রতিবছরই নেওয়া লাগতে পারে করোনার টিকাএকাধিক মামলার আসামী মাদক ব্যবসায়ী রাশেল মিয়া ওরফে সুমন গ্রেফতারমুজতবা হাসান চৌধুরী নুমান বলেছেন একটি আদর্শ সমাজ গঠনে এক দল পরিশুদ্ধ মানুষ প্রয়োজনবিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে বিশ্বনাথের মাকুন্দা নদীতে নৌ-যাত্রা৩ সপ্তাহ যাওয়ার ৩ তিন কোটি টাকার রাস্তায় ফাটলউত্তর কুশিয়ারা আন্তর্জাতিক অনলাইন গ্রুপের বাংলাদেশ সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে সাইদুল ইসলাম মিনুরকে সংবর্ধনা প্রধানবিদ্যালয়ের ভবন উদ্ভোধন উপলক্ষ্যে বিশ্বনাথে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলচেতনানাশক খাইয়ে পটুয়াখালীতে তাবলীগ জামাত সদস্যদের মালামাল লুট

সিলেট তারাপুর চা-বাগানে শ্রমিক ধর্মঘট

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৪ মে, ২০২১
  • ১২৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

তারাপুর চা-বাগানে দুই সপ্তাহ থেকে মজুরি পাচ্ছেন না চা-শ্রমিকরা। পাওনা টাকা না পাওয়ায় শ্রমিকরা বন্ধ রেখেছেন বাগান থেকে চা-পাতা উত্তোলন।

বোরবার (২২ মে) তারাপুর চা-বাগানে সকাল থেকে কর্মবিরতি ও বিক্ষাভ করেন শ্রমিকরা। বাগানে বিক্ষোভ শেষে ৯দফা দাবি নিয়ে জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি প্রদান করেন তারাপুর চা-বাগানের শ্রমিকদের পক্ষে  ভেলী’র সভাপতি রাজু গোয়ালা, তারাপুর চা-বাগান পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি চৈতন্য মোদী, সহসভাপতি মমতা রায়, তারনী মোদী, গীতা হাওলাদার, রীনা মোদী, বেলী রায়, বিনতা মোদী, সাধারণ সম্পাদক সুনিল মোদী, অর্থসম্পাদক রঞ্জন মোদী তারাপুর দুর্গা মান্ডব পূজা কমিটির সভাপতি সমর রায়, তারাপুর চা-বাগান ম্যানেজম্যান্ট কমিটির সদস্য সঙ্গীত রায়, সহসভাপতি গীতা ।

স্মারকলিপিতে তারা উল্লেখ করেন, বংশানুক্রমে তারা তারাপুর চা-বাগানে চা-পাতা উত্তোলনের কাজ করে আসছেন। বাগানের মালিকানা সংক্রান্ত নানা জটিলতা ও মামলা মকদ্দমায় সম্প্রতি বাগান কর্তৃপক্ষের ঘন ঘন পরিবর্তন ঘটছে। বর্তমানে একটি কমিটি বাগানটি পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে তারা ঘামঝরা মেহনতের মজুরি পাচ্ছেন না।

স্মারকলিপিতি আরো উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর উপহার স্বরূপ পাওয় ১ হাজার টাকা দেয়ার কারণে তারা কোনোও রকমে ছেলে-সন্তান নিয়ে দিনানিপাত করছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই উপহার পাওয়ার কারণে বাগান কর্তৃপক্ষ তাদের নিয়মিত তলবের টাকা দিচ্ছেন না। এই অবস্থায় তারা না খেয়ে থাকার উপক্রম হয়েছে।

জেলা প্রশাসকের নিকট দেওয়া ৯ দফা দাবিগুলোর মধ্যে হলো –
১. কাচা ঘরকে পাকা দ্রুত বাস্তবায়ন করা।
২. বাগানে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা।
৩. বাগানের চতুর দিকে গার্ডওয়াল গেইট দিতে হবে।
৪. বাগানের জন্য ট্রাক্টর প্রয়োজন।
৫. বাগানের ভিতর যেকোন ধরনের প্রশাসন যদি প্রবেশ করে তাহলে ম্যানেজম্যান্ট ছাড়া প্রবেশ করতে পারবে না।
৬. প্রত্যোক পাড়ায় বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা।
৭. প্রকি পাড়ায় ডিপটিউবওয়েলের ব্যবস্তা করা।
৮. ২০১৯ ও ২০২০ সালের বকেয়া টাকা শ্রমিকদের পরিশোধ করা।
৯. বাগানের ভিতের জোরজবরদস্তি করে জায়গা দখল করে আসছে যারা তা বন্ধ করা।

আলোকিত সিলেট/এমবিএইচ

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000