বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বনাথ উপজেলা আল ইসলাহ’র কমিটি: সভাপতি আখতার আলী সম্পাদক হাবিবজামালপুরের বকশীগঞ্জে দলিল লেখক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিতদেবীদ্বার পৌর আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম হাজী শহীদুল্লাহ খাজার জানাজা ও দাফন সম্পন্নকুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা মহিলা শ্রমিক লীগের কমিটি ৩বছরের জন্য অনুমোদনদুমকিতে এইচ.এস.সি ও বি.এম পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভাফের গাজিপুরের এক গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকিশোরগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে বিজিবি সদস্য নিহতের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দলের পরিদর্শনসৈয়দপুরে স্ত্রী হত্যাচেষ্টা মামলায় আ’লীগ নেতা জেল হাজতেবালাগঞ্জের কাশিপুর খালের ভাঙ্গন পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যানসিটি কর্পোরেশন সহ সিলেটের ৩২টি অফিসের বিরুদ্ধে বেশি অভিযোগ দুদকের গণশুনানিতে

সিলেটে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা

অনলাইন ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৪ মার্চ, ২০২১
  • ১৮১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সিলেটে হঠাৎ করে করোনায় টালমাটাল। প্রতিদিন বাড়ছে শনাক্তের সংখ্যা। গেলো সপ্তাহখানেক আগেও সিলেট বিভাগে করোনা শনাক্তের সংখ্যা অনেকাংশে কম থাকলেও এখন লাফিয়ে বাড়ছে করোনা। আর মৃত্যুর তালিকায়ও যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম। শেষ ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৬৭ জন। আর এ সময়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১ জন। আর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মাত্র ১৫ জন। এনিয়ে বিভাগে করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৯১৭ জন। আর মোট প্রানহানীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৮৩ জন।

হঠাত করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পেছনে গত দুই সপ্তাহ আগের ভুল কিংবা একুশে ফেব্রুয়ারির ছুটিতে মানুষের অবাধে চলাফেরাকেই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সদ্য বিদায়ী সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, ‘একুশে ফেব্রুয়ারিতে মোটামোটি লম্বা একটি ছুটি ছিলো। তখন প্রচুর পরিমাণ পর্যটক সিলেটে এসছেন। কিন্তু কেউ কোন স্বাস্থ্যবিধি কিংবা মাস্ক পরেননি। তাছাড়া গত দুই সপ্তাহ আগে বেশ জনসমাগম্পূর্ণ অনুষ্ঠান হয়েছে। কিন্তু মানুষ স্বাস্থ্যবিধি মানেননি। যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে এখন। দুই সপ্তাহ আগের ভুলের কারণেই করোনা শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে। তবে এখন যদি মানুষ মাস্ক ব্যবহার করে বা স্বাস্থ্যবিধি মানে তাহলে আগামী ১৫ দিন পর আবার কমে আসবে।’

বুধবার (২৪ মার্চ) সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. সুলতানা রাজিয়া স্বাক্ষরিত প্রতিবেদন থেকে জানা যায় গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগে নতুন শনাক্ত ৬৭ জনের মধ্যে ৩৩ জনই সিলেট জেলার বাসিন্দা। আর হবিগঞ্জ জেলায় একজন ও মৌলভীবাজার জেলায় আরও ১৮ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এদিন সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কোনো রোগীর শরীরে এই ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা যায়নি।

নতুন করে শনাক্ত ৬৭ জনকে নিয়ে সিলেট বিভাগে মোট করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৬ হাজার ৯১৭ জনে। যাদের মধ্যে সিলেট জেলায় ১০ হাজার ৩৩৭ জন, সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৫৭১ জন, হবিগঞ্জ জেলায় ২ হাজার ২৫ জন ও মৌলভীবাজারে ১ হাজার ৯৮৪ জন।

আর নতুন করে সুস্থ হয়ে উঠা ১৫ জন নিয়ে সিলেট বিভাগে করোনা জয়ীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৯৪৩ জন। যাদের মধ্যে সিলেট জেলায় ৯ হাজার ৭১৮ জন, সুনামগঞ্জে ২ হাজার ৫২৯ জন, হবিগঞ্জ জেলায় ১ হাজার ৬৮৪ জন ও মৌলভীবাজারে ১ হাজার ৯১২ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তি মৌলভীবাজারের বাসিন্দা। সিলেট বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া মোট ২৮৩ জনের মধ্যে সিলেট জেলার ২১৮ জন, সুনামগঞ্জে ২৬ জন, হবিগঞ্জে ১৬ জন এবং মৌলভীবাজারের ২৩ জন।

তবে শীতের করোনার প্রকোপ বেশি হওয়ার কথা থাকলেও গরমের শুরুতে করোনা বেড়ে যাওয়ার কারণ কি হতে পারে এমন প্রশ্নে সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ অধিদপ্তরের সদ্য বিদায়ী সহকারী পরিচালক আনিসুর রহমান বলেন, ‘ভাইরাস সাধারণত কুকুরের মতো। এরা এক ভাইরাস অন্য ভাইরাস্কে তার এলাকায় প্রবেশ করতে দেয় না। শীতে হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা, রেস্পেটোরি সিন্সিটিয়াল ভাইরাসহ নানা ভাইরাসে মানুষ আক্রান্ত থাকে। এসময় মানুষের সাধারণ জ্বর, শর্দি হয়। তাই এসব ভাইরাসের কারণে করোনা আক্রমন করতে পারেনি। কিন্তু শীত যেতেই নিয়মিত ভাইরাস যখন সরেছে তখন করোনা আক্রমণ কয়রা শুরু করেছে। সে ক্ষেত্রে মানুষ মাস্ক ব্যবহার করলে আর যথাসম্ভব স্বাস্থ্যবিধি মানলে এমনটা হতো না।’
সুত্রঃ সিলেট ভয়েস

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000