বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বনাথ উপজেলা আল ইসলাহ’র কমিটি: সভাপতি আখতার আলী সম্পাদক হাবিবজামালপুরের বকশীগঞ্জে দলিল লেখক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিতদেবীদ্বার পৌর আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম হাজী শহীদুল্লাহ খাজার জানাজা ও দাফন সম্পন্নকুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা মহিলা শ্রমিক লীগের কমিটি ৩বছরের জন্য অনুমোদনদুমকিতে এইচ.এস.সি ও বি.এম পরীক্ষার প্রস্তুতিমূলক সভাফের গাজিপুরের এক গার্মেন্টসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকিশোরগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে বিজিবি সদস্য নিহতের ঘটনায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি দলের পরিদর্শনসৈয়দপুরে স্ত্রী হত্যাচেষ্টা মামলায় আ’লীগ নেতা জেল হাজতেবালাগঞ্জের কাশিপুর খালের ভাঙ্গন পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ইউনিয়ন চেয়ারম্যানসিটি কর্পোরেশন সহ সিলেটের ৩২টি অফিসের বিরুদ্ধে বেশি অভিযোগ দুদকের গণশুনানিতে

সিলেটে বিদ্রোহী প্রার্থীতে দিশেহারা আওয়ামী লীগ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১২ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সিলেট বিভাগের ৪৪টি ইউনিয়নে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। গণনা শেষে রাতে বেসরকারি ফলাফল প্রকাশিত হয়।



ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা ১৯টি ইউপিতে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ১০টিতে। বাকিগুলোর মধ্যে ১টিতে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী, ২টিতে জামায়াতের প্রার্থী এবং ১১টিতে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। একটি ইউনিয়নে গোলযোগের কারণে ফলাফল স্থগিত রাখা হয়েছে।
বিএনপি এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। কিন্তু দলটির তৃণমূল নেতারা কয়েকটি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে ১১ জন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

জামায়াতের নেতারা যে দুটি ইউপিতে বিজয়ী হয়েছেন, সেগুলোতে তারা স্বতন্ত্র থেকেই প্রার্থী হয়েছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এবারের ইউপি নির্বাচনে বিএনপি আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ না করায় আওয়ামী লীগের সামনে সবগুলোতে জয়ের বড় সুযোগ ছিল। কিন্তু প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী মাথাচাড়া দেওয়ায় দল মনোনীত প্রার্থীরা বেকায়দায় পড়ে যান।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা জানান, ইউপি নির্বাচনে দল থেকে প্রার্থী ঠিক করে দেওয়া হলেও স্থানীয় অনেক নেতাই তা মেনে নেননি। তারা প্রকাশ্যে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে গেছেন। এতে দলীয় প্রার্থীরা কোণঠাসা হয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের এক নেতা বলেন, ‘সিলেট বিভাগে যে ১০টি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, তারা কিন্তু আওয়ামী লীগের ভোটই পেয়েছেন। তারা যদি বিদ্রোহী প্রার্থী না হতেন, তাহলে কিন্তু এসব ভোট দলীয় প্রার্থী পেয়ে পাস করতেন। তখন নৌকার জয় থাকতো ৪৩টির মধ্যে ২৯টি ইউপিতে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাকি যেসব ইউনিয়নে অন্যান্য প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন, সেগুলোতেও কিন্তু আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ছিলেন। এক দলের দুজন যখন প্রার্থী হয়ে যান, তখন ভোট কিন্তু বিভক্ত হয়ে যায়।’

প্রার্থী বাছাইয়ে আরও সতর্ক থাকার কথা বলছেন আওয়ামী লীগের এই নেতা, ‘প্রার্থী বাছাইয়ে দায়িত্বশীলদের আরও সজাগ ও সতর্ক দৃষ্টি রাখা উচিত। গ্রহণযোগ্য, বিতর্কহীন, সৎ প্রার্থীকে বেছে নিতে হবে। তাহলে দলের অন্যরা আর অভিযোগ তোলার সুযোগ পাবেন না, বিদ্রোহও কমে আসবে।’
ফলাফল অনুসারে, সিলেট জেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী, দুটিতে দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী, ৫টিতে স্বতন্ত্রের ব্যানারে বিএনপির প্রার্থী, ১টিতে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এবং ১টিতে জামায়াতের প্রার্থী (স্বতন্ত্র) জয় পেয়েছেন।

সুনামগঞ্জের ১৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন ৬টিতে। বাকিগুলোর মধ্যে ৩টিতে বিএনপিপন্থি স্বতন্ত্র প্রার্থীরা, আরেকটিতে জামায়াত নেতা স্বতন্ত্রের ব্যানারে জয় পেয়েছেন।
মৌলভীবাজারের ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন একটিতে। বাকিগুলোর মধ্যে দলটির বিদ্রোহী প্রার্থী দুটিতে এবং বিএনপি নেতারা দুটিতে জয় পেয়েছেন।

হবিগঞ্জের ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে একটিতে গোলযোগের কারণে ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। বাকি চারটির মধ্যে ৩টিতে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। অপরটিতে জয়ী হয়েছেন বিএনপির এক নেতা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000