শুক্রবার, ২৭ মে ২০২২, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বিশ্বনাথে ৩ শতাধিক প্রতিবন্ধীদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন নুনু মিয়াবেগম খালেদা জিয়া কে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে নীলফামারীর সৈয়দপুরে বিএনপির বিক্ষোভসিলেটে বন্যার্তদের নগদ অর্থ ও ত্রাণ বিতরণ করলেন প্রবাসী কমিউনিটি নেতা শফিক উদ্দিনকুমিল্লার দেবীদ্বার থানার মানবিক অফিসার ইনচার্জ প্রত্যাহারে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ প্রকাশবিশ্বনাথে দশঘর ইউনিয়নে বন্যার্তদের ত্রাণ বিতরণ করলেন এসএম নুনু মিয়াওসমানীনগরে ২কোটি টাকা মূল্যের তিনতলা বাসা দখল নিয়ে দু’পক্ষের উত্তেজনাপররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় সম্পৃক্ততার আহ্বানবিশ্বনাথে ‘হাজী তেরা মিয়া ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট’র পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণজামালপুরের বকশীগঞ্জে অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিতমৌলভীবাজার মুনিয়া নদী থেকে বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধার

সিলেটের বিশ্বনাথে ‘লামাকাজী সেতু’তে ফের ইজারা দেয়ায় ক্ষুব্ধ পরিবহণ শ্রমিক ও স্হানীয়রা

ফারুক আহমদ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৭৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সাধারণত বড় ধরনের কোন নির্মাণ ব্যয় সামাল দিতে সেতু বা সড়ক থেকে টুল আদায় করা হয়ে থাকে। টুলনীতিমালাতে উল্লেখ আছে যে ২০০ মিটারের কম দৈর্ঘ সেতু থেকে টুল আদায় করা যাবে না। ২০০ মিটারের বড় সেতু থেকে অল্প অল্প করে ধীরে ধীরে নির্মাণের খরচ তুলে সরকার।



যখন নির্মাণ ব্যয় উঠে যাবে সেতু গুলি টুল মুক্ত হওয়ার কথা থাকলেও কোন সেতুতে যদি একবার টুল চালু হয় তাহলে তা থেকে যেন আর কোন ভাবেই মুক্তি মিলেনা। নির্মাণ ব্যয়ের ৬ গুন রাজস্ব আদায়ের পরও সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজীতে সুরমা সেতু বা লামাকাজী সেতুতে ফের ইজারা দেওয়ায় ক্ষুব্ধ পরিবহন শ্রমিক ও স্হানীয় এলাকাবাসী। ১৯৮৪ সালে নির্মিত সিলেট- সুনামগঞ্জ সড়কের ওই সেতুর টোল আদায় করা হচ্ছে এখনও। সেতুটি নির্মাণে ৭ কোটি টাকা ব্যয় হলেও এখন পর্যন্ত টোলে ওঠানো হয়েছে প্রায় ৪০ কোটি ১৩ লক্ষ টাকার অধিক।

সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ জেলায় সড়ক পথে যাতায়াতে বিশ্বনাথ উপজেলার লামাকাজি এলাকার সুরমা নদীতে এরশাদ সরকারের আমলে এই সেতুটি নির্মাণ করা হয়। এম এ খান সেতু নামে নামকরণ করা হলেও এলাকায় এটি ‘লামাকাজী সেতু’ নামেই অধিক পরিচিত।

স্হানীয়দের মতে, তৎকালীন এরশাদ সরকারের আমলেই ওই সেতুতে বসানো হয় টোল প্লাজা।
যানবাহনের প্রকারভেদে নির্ধারণ করা টোলের হার সে সময়ে ছিল ৩ থেকে ১০ টাকা। দফায় দফায় ইজারা দিয়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা এই সেতু থেকে ৪০ কোটি ১৩ লাখ টাকা টোল আদায় করেছে সড়ক বিভাগ। এত বছরেও টোল আদায় বন্ধ না হওয়ায় ক্ষুব্ধ এ পথে চলাচলকারীরা।

টোল আদায়কারীদের সাথে যানবাহন চালকদের কথা কাটাকাটির ঘটনাও হরহামেশাই । টোল আদায় করতে খারাপ আচরণও করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পরিবহণ শ্রমিক ও স্হানীয় এলাকাবাসীর।
গেল ১৬ অক্টোবর পরিবহণ শ্রমিক ও স্হানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ করেন ইজারাদের সাথে হট্রগোল বাঁধায়, তৎক্ষনাত খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গাজী আতাউর রহমান ঘটনাস্হলে এসে বিক্ষোভকারী ও ইজারাদের সাথে কথা বলে পরিস্হিতি শান্ত করেন এবং পরিবহণ শ্রমিকরা অবরোধ তুলে নেন।
একই দিন শনিবার সিলেট জেলা বাস মিনিবাস কোচ মাইক্রোবাস ইউনিয়নের ৬ দফা দাবিতে সিলেটে ধর্মঘটের আহবান করা হয়। তাদের উত্তাপিত দাবী গুলির মধ্যে টুল আদায় বন্ধের দাবী ও উল্লেখযোগ্য দাবি। এবং সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্টিত সমাঝোতা বৈঠক ও পরিবহণ শ্রমিক নেতারা ওই টুল আদায় বন্ধের দাবী জানান।

কিন্তু ফের গত মাসে নতুন করে আবারও ১৮ কোটি টাকারও বেশি দরে দেয়া হয়েছে ইজারা। টোল আদায়ে বাড়ানো হয়েছে কড়াকড়ি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবহণ শ্রমিক ও স্হানীয় এলাকা ও সুনামগঞ্জবাসী।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000