বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
নবীগঞ্জে হামিদুর রহমান হিলালের দ্বিতীয় বইয়ের মোড়ক উন্মোচনপটুয়াখালীতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এর জন্মদিন পালিতদুমকিতে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ বিষয়ক সমন্বয় সভারাজনগরের জোড়া খুনের ৫আসামী গ্রেফতারবকশীগঞ্জে বিনামূল্যে সার ও মাসকালাই বীজ বিতরণরাজনগরের সোনাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ম্যানজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক আব্দুল হাকিম রাজসৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে আল্ট্রা সনোগ্রাম মেশিন থাকলেও সেবা থেকে বঞ্চিত রোগীরাবিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে সিভি জমা দিলেন ১০ আ’লীগ নেতাবিশ্বনাথ পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী মো. দবির মিয়া সকলের দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেনসিলেট-সুনামগঞ্জ মহা সরক দূর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ২

ম্যাজিস্ট্রেটের স্বাক্ষর জাল করে কোটি টাকা আত্মসাত খুলনায়, দুদকে মামলা দায়ের

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১
  • ৩১২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্টঃ খুলনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সুনন্দ বাগচীর স্বাক্ষর জাল করে কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় দুদক কার্যালয়ে মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় ওই আদালতের দুই কর্মচারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। স্বাক্ষর জাল করে সরকারের কোটি টাকা মেরে দিলেন তারা।

দুদকের খুলনার উপপরিচালক মো. নাজমুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ৩১ মে মামলাটি করেছি। এরই মধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জারিকারক (প্রসেস সার্ভার) এমএম নাহিদুল ইসলাম ও মো. নাজমুল হাসান।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে জানা গেছে, বিচারক সুনন্দ বাগচীর স্বাক্ষর জাল করে আদালতের জারিকারক এমএম নাহিদুল ইসলাম ও মো. নাজমুল হাসান ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে খুলনা বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে দাখিল করতেন।

চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আনুষঙ্গিক খাতে বরাদ্দ না থাকা সত্ত্বেও বিভাগীয় হিসাবরক্ষণ অফিসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহযোগিতায় বিল ছাড় করান তারা। ওই বিলে ২০১৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২১ সালের ২৩ মার্চ পর্যন্ত এক কোটি দুই লাখ ২৪ হাজার ৪০ টাকা তোলেন।

ওই টাকা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নামীয় খুলনার খানজাহান আলী রোডের জনতা ব্যাংক লিমিটেডের শাখায় জমা হয়। এরপর নাহিদুল ইসলাম ও নাজমুল হাসান বিচারক সুনন্দ বাগচীর স্বাক্ষর জাল করে কার্যালয়ের ভুয়া স্মারক ব্যবহার করে ব্যাংকটির শাখা ব্যবস্থাপকের বরাবর জমা দিয়েছিলেন। ওই পত্রে একই ব্যাংকের পৃথক দুটি হিসাব নম্বরে টাকা জমা দেওয়ার অনুরোধ করেন দুই আসামি। জনতা ব্যাংক শাখার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চিঠি যাচাই না করে ও হিসাবধারীকে ফোনে না জানিয়ে ভুয়া পত্রের ফটোকপির ওপর ভিত্তি করে আসামিদের ব্যক্তিগত হিসাবে টাকা পাঠিয়ে দেন। আসামিরা ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের চেকের মাধ্যমে সরকারি অর্থ তুলে আত্মসাৎ করেন।

মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক মো. নাজমুল হাসান বলেন, আসামিরা কৌশলে আদালতের বিচারক সুনন্দ বাগচীর স্বাক্ষর জাল কিংবা স্ক্যান করেন। এরপর ব্যাংকেও ভুয়া স্মারকের মাধ্যমে নিজ নিজ অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করান। সর্বমোট সরকারি এক কোটি দুই লাখ ২৪ হাজার ৪০ টাকা আত্মসাৎ করেছেন তারা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000