সোমবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৪৭ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
কিশোরগঞ্জে ধর্ষণের দায়ে এক শিক্ষক জেল হাজতেনীলফামারীর সৈয়দপুরে রেললাইন থেকে ছাত্রের লাশ উদ্ধারশাহজালাল (রঃ) একাডেমির ৫ম শ্রেনীর বিদায় বিদায় অনুষ্ঠান আলোচনা ও দোয়া সভা সমপন্নছাতকে ইউনিয়ন যুবলীগের ওয়ার্ড কমিটি গঠনভাড়াটিয়া কর্তৃক সৈয়দপুরে দোকান দখল, মিথ্যে মামলায় হয়রানী ও প্রাণনাশের হুমকির বিচার চায় বৃদ্ধাবকশীগঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের নবাগত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতবিনিময়সৈয়দপুরে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেল ইজিবাইক চালকের ছেলে নয়ননীলফামারীর সৈয়দপুর ট্রেনে কাটা পড়ে যুবকের শরীর তিন খন্ডদুমকিতে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের আনন্দ শোভাযাত্রানীলফামারীর সৈয়দপুরে ৫ টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই, ২০ লাখ টাকার ক্ষতি

মোদীকে ব্যাংঙ্গ করে পশ্চিমবঙ্গে অভিনব পোস্টার ‘সব বেচে দে নরেন’

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২২
  • ১২৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার আরামবাগ শহরে অধিকাংশ টোটো রিক্সার পেছনে ‘সব বেচে দে নরেন’ ফ্লেক্স লাগানো ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।



ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দেশের সম্পত্তি বিক্রি করতে উঠে পড়ে লেগেছেন এটা তৃণমূলের দাবি,নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে শহরের নাগরিকদের একাংশ ওই ফ্লেক্স লাগিয়েছেন।

যদিও বিজেপির পাল্টা দাবি,ওই ফ্লেক্স লাগিয়ে স্বামী বিবেকানন্দকে অপমান করেছে তৃণমূল। এদিকে টোটো চালক বলছেন,কারা ওই ফ্লেক্স লাগিয়েছে তা জানা নেই।

পুলিশ জানিয়েছে,বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত দু’দিন ধরেই শহরে চলা অধিকাংশ টোটোর পিছনে একটি ফ্লেক্স দেখা যায়। নীল কালিতে লেখা রয়েছে,‘সব বেচে দে নরেন’।

এ নিয়ে আরামবাগ শহর তৃণমূলের সভাপতি স্বপন নন্দী বলেন,দেশের প্রধানমন্ত্রী একের পর এক সরকারি সম্পত্তি বেসরকারিকরণ করছেন, বিক্রি করছেন। তাতে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ। তাই তারা নিজেরাই টাকা খরচ করে ওই ফ্লেক্স টাঙিয়েছেন। যদিও টোটো চালকরা এ নিয়ে আপত্তি করতে দেখা যায়নি। কারণ,তারাও জানেন,প্রধানমন্ত্রী সব বেচে দিচ্ছেন। ওই ফ্লেক্সে আমাদের দলের কোনও রাজনৈতিক চিহ্ন নেই।

বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, তৃণমূল চক্রান্ত করেই এই ধরনের কাজ করেছে। ওরা টোটো চালকদের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই ওই ফ্লেক্স টোটোতে বেঁধে দিচ্ছে। যে সব চালক আপত্তি জানাচ্ছেন,তাদের উপর প্রভাব খাটানো হচ্ছে। তবে নরেন বলতে আমরা স্বামী বিবেকানন্দকে বুঝি। তাকে অপমান করা হয়েছে। রাজনীতির নোংরা খেলায় মেতেছে তৃণমূল। বিষয়টি আমরা প্রশাসনকে জানিয়েছি। ওরা নিজেরা যদি ওই ফ্লেক্স না খুলে,তাহলে বিজেপি বিষয়টি বুঝে নেবে। এভাবে কখনই আমরা বাংলার সংস্কৃতিকে নষ্ট হতে দেব না।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000