মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ফ্রান্সে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপনবাকোডিসির পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে বাড়ি নির্মান ও গবাদিপশু বিতরণদূর্গাপূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন সৈয়দপুর পৌর মেয়েরপরারাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়বকশীগঞ্জে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনআন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্বনাথে পিএফজির মানববন্ধনওসমানীনগরে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণওসমানীনগরের রাসেল সিলেট ল কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোনীতইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান -২০২২ জনসচেতনতামৃলক সভাদুর্গাপুজা উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের সাইবার সেল ও মনিটরিং সেল গঠন

মতিউর রহমান আকন্দ বলেছেন, জাতির জন্য একটি বেদনা বিধুর কলংকময় দিন ২৮ অক্টোবর

ফারুক আহমদ
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৯৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেছেন- ২৮ অক্টোবর জাতির জন্য একটি বেদনা বিধুর কলংকময় দিন।



২০০৬ সালের এই দিনে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করে দেশকে করদরাজ্যে পরিনত করার হীন উদ্দেশ্যেই দেশব্যাপী লগি-বৈঠার নারকীয় তান্ডব চালানো হয়েছিল। যার সুদুরপ্রসারী ফলাফল জাতি আজ উপলব্দি করতে পারছে। দেশে আইনের শাসন নেই, মানুষের ভোটাধিকার নেই। সর্বত্র দুর্নীতির মহোৎসব চলছে। খুন, গুম, ধর্ষণ, হামলা-মামলায় নাগরিক জীবনে সীমাহিন দুর্ভোগ নেমে এসেছে।

দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে জনজীবন অতিষ্ঠ হলেও সেদিকে ক্ষমতাসীনদের কোন দৃষ্টি নেই।

তিনি আরো বলেন, ভয়াল ২৮ অক্টোবর আ.লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট রাজধানীর পুরান পল্টন সহ সারাদেশে জামায়াত-শিবিরের উপরে পরিকল্পিত ভাবে তান্ডবলীলা চালায়। তারা প্রকাশ্য দিবালোকে লগি-বৈঠা দিয়ে সাপের মত পিটিয়ে মানুষকে হত্যা করে লাশের ওপর নৃত্য করেছে। ১৫ বছর পেরিয়ে গেলেও ক্ষমতাসীন সরকার পল্টন ট্র্যাজেডী’র এই জঘন্য মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার করেনি। বরং রাজনৈতিক বিবেচনায় নৃশংস হত্যাকান্ডের মামলা সমুহ প্রত্যাহার করেছে। অথচ দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসকে কলংকমুক্ত করতে লগি-বৈঠার তান্ডবের বিচার সময়ের অপরিহার্য দাবী। শহীদের রক্ত বৃথা যেতে পারেনা। যতই ষড়যন্ত্র ও টালাবাহান হোক না কেন? দেশে ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনকে নিশ্চিহ্ন করা সাধ্য কারো নেই। সময়ের ব্যবধানে লগি-বৈঠার নারকীয় তান্ডবের বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবেই হবে। ইনশাআল্লাহ।

কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর অংশ হিসেবে তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার সিলেট মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে ভয়াল ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে লগি-বৈঠার তান্ডবে শাহাদাৎবরণকারী শহীদদের স্মরনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা গুলি বলেন।

মহানগর জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মোহাম্মদ শাহজাহান আলীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট বিভাগীয় আঞ্চলিক দায়িত্বশীল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং সিলেট জেলা উত্তর জামায়াতের আমীর হাফিজ মাওলানা আনোয়ার হোসাইন খান।

বক্তব্য রাখেন, মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা সোহেল আহমদ, সহকারী সেক্রেটারী এডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুর রব, জামায়াত নেতা এডভোকেট আলিম উদ্দিন ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সিলেট মহানগর সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম। সভা শেষে শহীদদের মাগফেরাত কামনা এবং দেশ জাতির মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

আলোচনা সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন- ২০০৬ সালে জামায়াত-বিএনপি জোট সরকারের রাজনৈতিক সাফল্যে ঈর্ষান্বিত হয়েই আওয়ামীলীগ মুলত এই জঘন্য তান্ডবলীলা চালায়। সেদিন জামায়াতকে ধ্বংস করার জন্য নির্দয়, নিষ্ঠুর ও পাশবিক কায়দায় আওয়ামী সন্ত্রাসী ও তার বাম শরীকরা পরিকল্পিত ভাবে যে নরহত্যায় মেতে উঠেছিল তা বিশ্ববিবেককে কাদিঁয়েছিল।

প্রকাশ্য দিবালোকে লগি, বৈঠা ও মারাত্মক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে যে নৃশংস হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়েছিল তা দেখে বিশ্ববিবেক স্তব্দ হয়ে যায়। এই বর্বরতা দেখে জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিবসহ সারাবিশ্বে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। অথচ ২৮ অক্টোবরের পৈশাচিকতার বিচার হওয়াতো দূরের কথা, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর মামলাই প্রত্যাহার করে নেয়। দেশে আইনের শাসন ও সুবিচার নিশ্চিত করার স্বার্থে এমন জঘন্য হত্যাকান্ডের বিচার ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্থি হওয়া উচিত।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000