সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিটি কর্পোরেশন সহ সিলেটের ৩২টি অফিসের বিরুদ্ধে বেশি অভিযোগ দুদকের গণশুনানিতেসিলেট জেলার ৩টি উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হলেন যারাখাজাঞ্চী ইউপি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রীতিগঞ্জ বাজারে স্হাপনের দাবিতে বিশ্বনাথে সভাভোট স্থগিত: কিশোরগঞ্জে কেন্দ্রে ঢুকে ভাঙ্চুর অগ্গিসংযোগ ব্যালট বাক্স ছিনতাই আহত-৩০স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ সমাবেশ পটুয়াখালীর দুমকিতেনীলফামারীর সৈয়দপুরে ইজিবাইকের চাপায় বৃদ্ধ নিহতকুমিল্লার দেবীদ্বার সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন দেবীদ্বার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদসকাল হলেই সিলেট বিভাগের ৭৭টি ইউনিয়নে ভোট যুদ্ধসেমিনার করলো এবিসি ইংলিশ ইনষ্টিটিউট বিশ্বনাথেউপজেলা চেয়ারম্যান নুনু মিয়া বিশ্বনাথে শীত বস্ত্র বিতরণ করেছেন

বিশ্বনাথে সংস্কারের অভাবে স্হানীয় সড়ক গুলোর বেহাল দশা

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১
  • ১১৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

আহমদ, বিশ্বনাথ থেকেঃ সিলেটের বিশ্বনাথে ‘নতুন বাজার মাছহাটা-মুফতিরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়ক (টিএনটি সড়ক)’ খানাখন্দে ভরপুর হয়ে জনসাধারণের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিগত ২০০৯ সালের পর থেকে সড়কে আর কোন ধরনের সংস্কার কাজ করা হয় নাই।
মাত্র ছয়শ মিটার দৈর্ঘ্যরে জনগুরুত্বপূর্ণ ওই সড়কের এমন বেহাল দশায় সীমাহীন দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছেন উপজেলার প্রায় চার (বিশ্বনাথ সদর, রামপাশা, দৌলতপুর ও দশঘর) ইউনিয়নবাসীকে। সড়কটি বিশ্বনাথ পৌরসভা ও উপজেলা সদরের প্রানকেন্দ্রে থাকার পর ও কাঙ্খিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

বিশ্বনাথ এলজিইডির আওতাধীন নতুন বাজার মাছহাটা-মুফতিরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়কের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ‘বাসিয়া ও চড়চন্ডি নদী’। আর দুই নদীর তীরে থাকা দীর্ঘদিনের পুরানো গাছগুলো উপড়ে পড়ে জনবহুল সড়কে ভাঙ্গন ও গর্ত হওয়া শুরু হয়। কর্তৃপক্ষের উদাসিনতায় ভাঙ্গন প্রতিরোধ ও গর্ত মেরামতের উদ্যোগ গ্রহন না করার কারণেই দিন দিন তা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। সড়কটির দৈর্ঘ্য মাত্র ছয়শ মিটার হলেও বর্তমানে সড়কে রয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। কোথাও কোথাও এসব গর্তগুলোকে দূর থেকে মিনি পুকুর বলে মনে হয়। কোথাও কোথাও আবার সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে মাটির সাথে মিশে গেছে।
সড়কের করুণ অবস্থা থাকার পরও প্রতিদিন ছোট-বড় প্রায় শত শত যানবাহন চলাচল করে ওই সড়ক দিয়ে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালাতে গিয়ে আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন চালকসহ সাধারণ জনগন।
আর ছোট-বড় দূর্ঘটনার শিকার ত হর হামেশাই হচ্ছে। বর্ষাকালে এই জনদূর্ভোগ আরো কয়েকগুন বৃদ্ধি পায়।

দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বেহালদশা থাকার কারণে মাথায় হাত পড়ছে সড়কের পাশে গড়ে উঠা শত শত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকের। সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি এলাকার মুসল্লী, প্রবীন ব্যক্তি ও রোগীদের দূর্ভোগের সীমানেই। একটু বৃষ্টি হলেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা কাদাজলে নষ্ট হচ্ছে পথচারীদের কাপড়। এক্ষেত্রে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় মহিলা ও শিশুদের। বেহালদশা থাকার পরও নিজেদের প্রয়োজনীয় কাজ করার জন্যই উপজেলার সদর, রামপাশা, দৌলতপুর ও দশঘর ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষকে চরম দূর্ভোগ সহ্য করে সড়ক ব্যবহার করতে হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার কাজ করার জন্য এলাকার জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবী জানিয়ে আসলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। এমনকি একাধিকবার সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিদের কাছে এলাকাবাসী স্মারকলিপিও প্রদান করেছেন বলে জানা গেছে। সড়কে পাশে থাকা দীর্ঘদিনের পুরানো গাছগুলোর ব্যাপারেও কোন প্রদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। যার ফলে সড়ক দিয়ে চলাচলের সময় উপর থেকে পুরানো গাছের শুকনো ডাল ভেঙ্গে পড়লে ও সড়কে থাকা গর্তে পড়ে আহত হওয়ার আতংঙ্কে থাকতে হয় এলাকাবাসীকে।

এলাকার ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কার কাজ না হওয়ার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থা খুব খারাপ হয়ে পড়েছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদেরকে পথে দাঁড়াতে হবে। জনদূর্ভোগ কমানোর জন্য দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা প্রয়োজন।
সিএনজি চালিত অটোরিক্সা চালক মাসুক মিয়া বলেন, জীবিকার তাগিদে আমাদেরকে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই এ সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। আর সড়কের এমন করুণ অবস্থা থাকার কারণে চরম আর্থিক ক্ষতির শিকার হতে হচ্ছে আমাদেরকে।

এব্যাপারে স্থানীয় জন প্রতিনিধি এমপি মোকাব্বির খান বলেন, এলাকাবাসী দূর্ভোগ কমিয়ে আনতে বিভিন্ন এলাকার সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে জনগুরুত্বের দিক দিয়ে সকল সকল সংস্কার করা হবে। এর পাশাপাশি এলাকার কাঁচা সড়কগুলোও পাকাকরণের আওতায় আনা হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000