শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্বনাথে বিশ্ব খাদ্য দিবসে পূনর্বাসিত সুবিধাভূগিদের মাঝে সবজি বীজ ও চারা বিতরণকয়েক ঘন্টা পর ইন্টারনেট আবার স্বাভাবিকসাবেক এমপি শফিক চৌধুরীর বিশ্বনাথে বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শনচাউলধনী হাওর প্রসঙ্গ : খুনিচক্রের ফাঁসির দাবিতে গণ বিক্ষোভ অনুষ্টিতবিশ্বনাথে অতুল দে’র পারিবারের পক্ষ থেকে দূর্গা পূজা উপলক্ষ্যে বস্ত্র বিতরণপটুয়াখালী দুমকির পপুলার প্যাথলজী ও ডায়াগনস্টিকের ভুল চিকিৎসার অভিযোগচাউলধনী হাওরের চাঞ্চল্যকর সুমেল হত্যাকান্ডের খুনিচক্র এখনো পলাতকসৈয়দপুরে নৌকার প্রত্যাশী সাবেক ছাত্রদল নেতা, এলাকায় তোলপাড়পটুয়াখালীর দুমকিতে আর্ন্তজাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস উদযাপনযুক্তরাজ্য প্রবাসী সুজাত মিয়াকে জগন্নাথপুর ইয়াং স্টারের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা প্রদান

বিশ্বনাথে ইন্টারনেটের ধীরগতি: বিঘ্নিত ভুমিকর ডাটা এন্ট্রি

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ জুন, ২০২১
  • ১০২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ফারুক আহমদ,বিশ্বনাথ থেকেঃ দেশব্যাপী ভুমি-সপ্তাহ ২০২১ পালন ও অনলাইন ভিত্তিক ভুমিকর প্রদানের নিমিত্তে ডাটা এন্ট্রি কাজ চলছে। কিন্তু সিলেটের বিশ্বনাথে ডাটা এন্ট্রির কাজে প্রধান বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে ইন্টারনেটের ধীরগতি। ইন্টারনেটের ধীরগতির কারণে ভুমিকর দাতাদের অনলাইন ডাটা এন্ট্রির কাজ মারাত্মক ভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

আজ বৃহস্পতিবার ১০ জুন সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলায় এই বিঘ্নিত কাজের বাস্তবতা দেখা গিয়েছে।
সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা ব্যাপী চলমান ভুমিকর ডাটা এন্ট্রি কার্যক্রম পরিচালনার গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে স্থানীয় ভুমি অফিস ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর। স্থানীয় ভাবে মানুষের দৌড়গোড়ায় সেবার মান সম্প্রসারণের লক্ষে ডাটা এন্ট্রি নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহন করা হয়। সে মোতাবেক উপজেলার ২নং নং খাজাঞ্চি ইউনিয়ন পরিষদের প্রয়াগমহল ভুমি অফিস জনসচেতনতায় এলাকায় মাইকিং করে। স্থানীয় রাজাগঞ্জ বাজারে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩ টা পর্যন্ত ডাটা এন্ট্রির কাজ চলবে মর্মে বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়। এবং যথাসময়ে অফিস কর্মকর্তাগণ তাদের যন্ত্রপাতি নিয়ে বাজারে উপস্থিত হন। ভুমিকর ডাটা এন্ট্রির কাজ করার জন্য তাদের ল্যাপটপ মোবাইল খোলে কাজ করার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। কিন্তু এতে বাঁধ সাধে ইন্টারনেট গতি। ইন্টারনেট গতি না থাকায় কোন কাজ করা সম্ভব হয়নি। ডাটা এন্ট্রি সেবা গ্রহীতাগণ পড়েন বিড়ম্বনায়।

এ সময় স্থানীয় জয়নগর গ্রামের সেবাগ্রহীতা মো. মিজানুর রহমান মিজান সেবা গ্রহণ করতে তার কাগজপত্র কর্মকর্তাদের কাছে উপস্থাপন করেন। কিন্তু কর্মকর্তারা অনেক চেষ্টা করেও তার ডাটা এন্ট্রি সম্পন্ন করতে পারেননি। প্রায় ৩/৪ ঘন্টা চেষ্টা করেও কোন কাজ করতে না পারায় ভুমি কর্মকর্তা ও স্থানীয় সেবা গ্রহীতারা ক্ষোভ ও বিরক্তি প্রকাশ করেন।

বিলপার গ্রামের ফয়জুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এলাকার প্রায় ৯৫ ভাগ মানুষ গ্রামীণফোনের সীম ও নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। আমাদের এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্কের এবং ইন্টারনেটের গতি এতো দূর্বল যে কোন কাজই করা যায় না। ছেলে মেয়েদের অনলাইন ভিত্তিক পড়াশোনায় ও মারাত্মক বিঘ্নিত হতে হচ্ছে। এবিষয়ে কর্তৃপক্ষের নজরদারি খুব প্রয়োজন।

প্রয়াগমহল ভুমি অফিসের উপ-সহকারী কর্মকর্তা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন আমরা দুঃখিত, আপনাদের সেবা দিতে না পারায়। তিনি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে সেবা গ্রহণের পরামর্শ দিলে অনেকেই প্রতিবাদ করে বলেন ওখানের উদ্যোক্তাগণ চরম বাজে লোক। তারা টাকা ছাড়া কোন সেবা দিতে চায় না।
পরিশেষে ভুমি উপ-সহকারী খালেদ আহমদ ও ডাটা এন্ট্রি অপারেটর জাহিদুর রহমান কোন কাজ না করেই অফিসে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000