বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কুমিল্লার গোমতী চরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৩ ব্যবসায়ি গ্রেফতার সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানাসিলেটের বিশ্বনাথের লামাকাজীতে ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক একাধিক প্রতিষ্টানকে জরিমানাপটুয়াখালীর দুমকিতে ৫০ তম স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্ধোধনআগামীকাল নতুন বেরী ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের ২য় গজল সন্ধ্যাঃ আসছেন বুলবুলসুনামগঞ্জের ছাতকের মল্লিকপুর লতিফিয়া ক্বারী সোসাইটির কমিটি গঠনসিলেটের বিশ্বনাথের লামাকাজীতে চেয়ারম্যান ধলা মিয়ার সমর্থনে সৎপুর গ্রামে উঠান বৈঠকবিশ্বনাথের লামাকাজীতে ‘বৈদ্যুতিক পাখা’ প্রতিকের নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ের উদ্বোধনজামালপুরের বকশীগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনা নিয়ে এসপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতজামালপুরের বকশীগঞ্জে সম্মানী ভাতা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার আলীসিলেটের বিশ্বনাথে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে নির্বাচন কর্মকর্তার মতবিনিময়

বিশ্বনাথের প্রবাসী দাদু ভাই ছইল মিয়া কারাগারে

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৮০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

দলিল জালিয়াতি মামলার প্রধান আসামি বিশ্বনাথের প্রবাসী ছইল মিয়া দাদু ভাইকে কারাগারে পাটিয়েছে আদালত।



ছইল মিয়া সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের পালের চক গ্রামের মৃত ইছাক আলীর পুত্র। দলিল জালিয়াতি হয়েছে মর্মে এমন অভিযোগ এনে ২০১৯সালের ১৩জুলাই সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ৩নং আমলী আদালতে ছইল মিয়া ও তার ভাই মুনছুর মিয়াকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন তারই চাচাত ভাই তফুর আলী উরফে নেফুর আলী। (বিশ্বনাথ জিআর মামলা নং-১৪৪)। এই মামলায় প্রবাসি ছইল মিয়া দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন।

(১০জানুয়ারি-২১ইং) সোমবার সিলেট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ৩নং আমলী আদালতে হাজিরা দিতে গেলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদি পক্ষের আইনজীবি সৈয়দ গোলাম রশিদ।

মামলার এজহার সুত্রে জানা গেছে, বিশ্বনাথ উপজেলার বুবরাজান মৌজার জেএল নং-৬৩, খতিয়ান নং-১৯৭, দাগ নং-৯৯৭ দাগে .৩৩ একর ভুমির ২০৩ নং খতিয়ানে বিএস-১০০০ নং দাগে বাদির পিতা ইলিয়াস আলীর নামে রেকর্ড প্রকাশিত ও ভোগ দখলে আছেন।

কিন্তু বিবাদি ছইল মিয়া ও মনসুর আলী বিশ্বনাথ সাবরেজিষ্ট্রি অফিসের ২৫১০/৯৫ইং কাবালাটি সহকারি কমিশনার ভুমির নিকট দাখিল করে বাদি ও তার চাচার সমুদয় ভুমি বিবাদিগণের নামে নামজারি করে নেন। বাদি দলিলের নকল তুলে দেখতে পান যে, ২৫১০/৯৫ নং দলিলটি টেংরা প্রকাশিত চাঁনপুর গ্রামের মৃত হামিদুল্লাহর পুত্র মনতাজ আলী ও সুনাফর আলীর নামে রয়েছে। ভুমির মালিক বাদির পিতা বা চাচা বিবাদিগণের নিকট কোন দলিল সম্পাদক করে ভুমি বিক্রয় করেননি। চালাক চতুর আসামিগণ জাল দলিল সৃষ্টির মাধ্যমে প্রতারনা করে ভুমি আত্বসাৎ করেছেন।

এই মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে ছইল মিয়াকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। এ সংক্রান্ত বিষয়ে উভয়ের মধ্যে একাধিক পাল্টাপাল্টি মামলা চলমান রয়েছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000