শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ১০:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রবাসীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সংরক্ষণে সরকারের পাশাপাশি সাংবাদিকরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেনপবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) পালন বিশ্বনাথের লামাকাজী ইউনিয়নেভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে নীলফামারীর ২২টি গ্রাম, ৪০০হাজার পরিবার পানি বন্দিমির্জা ফখরুল বলেছেন, পূজামন্ডপে হামলাকে পুঁজি করে সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করছেমাদকাসক্ত যুবককে জেল হাজতে প্রেরণ সৈয়দপুরের ওসি ও বাবা-মায়ের সহায়তায়তালামীযে ইসলামিয়ার পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালিদক্ষিণঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের পুরন লেবুখালীর পায়রা সেতুর মাধ্যমেচোরাই মোটর সাইকেল সহ চোর গ্রেফতার সৈয়দপুরেএম ইলিয়াছ আলীর সন্ধান কামনায় বিশ্বনাথে দোয়া মাহফিলবিশ্বনাথে এমএ খান সেতুর টুল আদায় সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সভা

বহু প্রত্যাশিত বঙ্গবন্ধু টানেলের কাজের অগ্রগতি ৭৩ শতাংশ শেষ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২১
  • ৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বহু প্রত্যাশিত কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণের খননকাজ গত বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যে শুরু হবে স্ল্যাব বসানোর কাজ। প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, টানেল নির্মাণকাজের সার্বিক অগ্রগতি ৭৩ শতাংশ। আগামী বছরের ডিসেম্বর নাগাদ স্বপ্নের এই টানেল চালু হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।



করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে কাজের গতি কিছুটা মন্থর হয়ে গেলেও প্রকল্প এলাকার বর্তমান চিত্র পুরোটাই অন্যরকম। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা বিরামহীন চলছে কাজ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে বাড়তি জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে অত্যাধুনিক নানা যন্ত্রপাতি ও মেশিনারিজ। সবকিছু পরিকল্পনা মাফিক এগোলে আগামী বছরই নদীর তলদেশ দিয়ে দেশের প্রথম টানেল নির্মাণ যুগে প্রবেশ করবে বাংলাদেশ। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এটি হবে দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশে প্রথম টানেল।

বঙ্গবন্ধু টানেল প্রকল্পের পরিচালক হারুনুর রশিদ চৌধুরী বলেন, টানেলের খননকাজ শেষ হয়েছে। এখন গাড়ি চলাচলের উপযোগী করে তুলতে স্ল্যাব বসানোর কাজ শুরু হবে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।

জানা গেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে চট্টগ্রামের দুই প্রান্তের যোগাযোগ সহজ হওয়ার পাশাপাশি কক্সবাজারের সঙ্গে সড়কপথে দূরত্ব কমে আসবে। সেই সঙ্গে ভারত এবং মিয়ানমারের সঙ্গে আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে ভূমিকা রাখবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, ৯ হাজার ৮৮০ কোটি টাকায় ৩.৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ টানেল নির্মাণ করা হচ্ছে। টানেলের প্রতিটি টিউবের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার ও ব্যাস ১০ দশমিক ৮০ মিটার।

টানেলটি চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা নেভাল একাডেমি পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে কর্ণফুলী নদীর অপর পাড়ে আনোয়ারা উপজেলার কাফকো ও সিইউএফএল পয়েন্টের মাঝখানের সড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। টানেলে যান চলাচল শুরু হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা গাড়িগুলোকে আর চট্টগ্রাম নগরীতে প্রবেশ করতে হবে না।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000