শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৬:৫৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
শেখ কামাল আন্তঃস্কুল ও মাদ্রাসা এ্যাথলেটিকস্ প্রতিযোগিতার উদ্ভোধনসৈয়দপুরে সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন সরকারসহ ৩ বিএনপি নেতার স্মরনসভা অনুষ্ঠিতমিরেরচরেই হবে টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ -বিশ্বনাথে এমপি মোকাব্বিরনীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ভূয়া এনএসআই সদস্যসহ আটক-২ওসমানীনগরের নবগ্রাম স্কুলের প্রাক্তন ছাত্র পরিষদ কমিটি গঠনবাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা কমিটি গঠনসৈয়দপুরে বিসিক শিল্পনগরীতে প্লাইউড কারখানায় আগুনে কোটি টাকার ক্ষতিজামায়াত আমীর ডাঃ শফিকুর রহমানকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে লন্ডনে বিক্ষোভ সমাবেশছাতকের খুরমা উচ্চ বিদ্যালয়ে মহান বিজয় দিবসে আলোচনা সভানীলফামারীর সৈয়দপুরে মহান বিজয় দিবস পালিত

প্রতারকের খপ্পরে স্ত্রী স্বামীর জামিনের জন্য -পরিকল্পিত খুনের অভিযোগ 

এস.পি.সেবু, বিশেষ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩১৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

স্বামীকে জেল থেকে জামিনে বের করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন এক স্ত্রী। নিহত নারীর নাম সুমি বেগম (৩৮)। তার স্বামীর নাম শাহানাজ মিয়া (৪২)। তারা স্বামী-স্ত্রীর বাড়ি বিশ্বনাথ উপজেলার পার্শবর্তী জগন্নাথপুর উপজেলার লামা লহরী গ্রামে। শনিবার রাত সাড়ে ১২টায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।



ময়নাতদন্ত শেষে আজ রবিবার বিকেলে বিশ্বনাথ থানাকে অবহিত করে লাশ দাফনের জন্য বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

নিহতের মেয়ে স্কুল পড়ুয়া মুন্নি আক্তার সাহেনা জানায়, প্রায় দেড় মাস আগে তার পিতা শাহনাজ মিয়াকে পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে জেল হাজতে পাঠায়। একপর্যায়ে আমার বাবাকে জেল থেকে ছাড়াতে আমার মাকে সহযোগীতা করতে এগিয়ে আসেন আমার বাবার বন্ধু আলী আকবর। আলী আকবরের বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জ থানা এলাকায়। সে বর্তমানে সিলেটের মোগলা বাজারে ভাড়া বাসায় থাকেন। আলী আকবর শনিবার সন্ধায় মোটর সাইকেল যোগে আমাদের বাড়ি থেকে আমার মাকে নিয়ে সিলেটের এক আইনজীবির বাসায় যাওয়ার কথা বলে নিয়ে যান। রাত সাড়ে ৯টায় আমার মোবাইলে ফোন করে জানায়, আমার মা এক্সিডেন্ট করেছেন।

তাড়াতাড়ি ওসমানী হাসপাতলে আসতে হবে। তখন আমি আমার খালাত ভাই রেজাউলকে বিষয়টি জানাই। রেজাউল রাত সাড়ে ১০টায় হাসপাতালে গিয়ে আমার মাকে ক্ষত বিক্ষত মুমুর্ষ অবস্থায় দেখতে পান। তখন আলী আকবর রেজাউলকে জানায়, আমার মা এক্সিডেন্ট করেছেন। একথা বলে আলী আবকর হাসপাতাল থেকে ঔষধ আনার কথা বলে কৌশলে পালিয়ে গিয়ে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেয়। আমায় মায়ের সাথে থাকা ২৫হাজার টাকা, মোবাইল ও স্বার্ণালংকার পাওয়া যায়নি। আমাদের ধারনা ২৫ হাজার টাকা, স্বার্ণালংকার ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয়ার জন্য আলী আকবর আমার মাকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করে এক্সিডেন্টের নাটক সাজিয়েছে। আমরা এই হত্যাকান্ডের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবি করছি। 

এদিকে নিহত সুমির লাশ নিয়ে মামলা দায়েরের জন্য বিশ্বনাথ থানায় নিয়ে আসা হয়। কিন্তু হাসপাতালের সুরতহাল রিপোর্টে ঘটনাস্থল রশিদপুরে থাকায় তাদেরকে দক্ষিণ সুরমা থানায় যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000