মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১২:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
ফ্রান্সে শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপনবাকোডিসির পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে বাড়ি নির্মান ও গবাদিপশু বিতরণদূর্গাপূজা হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিলেন সৈয়দপুর পৌর মেয়েরপরারাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে যুক্তরাষ্ট্রে জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দের মতবিনিময়বকশীগঞ্জে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনআন্তর্জাতিক অহিংস দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্বনাথে পিএফজির মানববন্ধনওসমানীনগরে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণওসমানীনগরের রাসেল সিলেট ল কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোনীতইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান -২০২২ জনসচেতনতামৃলক সভাদুর্গাপুজা উপলক্ষে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশের সাইবার সেল ও মনিটরিং সেল গঠন

পটুয়াখালীতে মিথ্যা বানোয়াট ও ভুয়া সনদপত্র দিয়ে দীর্ঘ দিন চাকুরী ও অবসর ভাতা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০২২
  • ৪১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে মিথ্যা বানোয়াট ও ভুয়া সনদপত্র দিয়ে দীর্ঘ দিন চাকুরী ও অবসসর ভাতা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে কাজী মকবুল হোসেন নামে এক ব্যাক্তির। পটুয়াখালী সদর উপজেলার লোহালিয়া গ্রামের কাজী বাড়িতে তাহার বসবাস।



কাজী মকবুল হোসেন দীর্ঘ দিন কাগজপত্র ও জন্মতারিখ জালিয়াতির মাধ্যমে প্রথমে পিওন পরে স্পেয়ার মেকানিক পদে চাকুরী করে বর্তমানে তিনি অবসরে রয়েছেন বলে অভিযোগকারী জানান। অভিযোগকারী ভিকটিমের ছোট ভাই কাজী শাহজাহান বলেন আমার জন্মতারিখ ৩১/০৫/১৯৫৪ সালে আমি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,খামারবাড়ি, পটুয়াখালীতে ক্যাশিয়ার পদ থেকে ৩১/০৫/২০১১ সালে অবসর গ্রহণ করি। অথচ আমার বড় ভাই কাজী মকবুল হোসেন তাহার সঠিক জন্ম তারিখ ০৭/১০/১৯৫৩ সালের পরিবর্তে ১৯৬৩ সাল দেখাইয়া এবং ভুয়া সনদপত্রের মাধ্যমে চাকুরী করে আসছিলেন এবং ০৭/০৬/২০২২ সালে তিনি অবসর গ্রহণ করেন।

এই মর্মে অভিযোগকারী ০২/০৫/২০২২ তারিখে অতিরিক্ত পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বরিশাল অঞ্চল বরাবরে একটি লিখিত আবেদন করেন এবং পরবর্তীতে পূনরায় ০৫/০৬/২০২২ তারিখে (যাহার রেজিস্ট্রিকৃত রশিদ নং-৮২৩) একই ঠিকানায় সঠিক এবং সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করে আরেকটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করলে তাহার পরিপেক্ষিতে অফিস কতৃপক্ষ ভিকটিমের স্বপক্ষে ২৩/০৬/২০২২ তারিখের চিঠির জবাবে আনীত অভিযোগের প্রমানাদি দাখিল করতে বলেন,যাহার স্মারক নং-২১/২৫৫। উল্লেখিত চিঠির জবাবে অভিযোগকারী তাহার স্বপক্ষে একটি জমি রেজিস্ট্রিকৃত দলিল নং-২২৮৬,তারিখ ০২/০৫/১৯৫৫ যাহা কাজী মকবুল হোসেন ২০০৬ সালে বিক্রি করেন। যেখানে তার বয়স উল্লেখ করা হয় ৫৫ বছর।

অভিযোগকারীর দাবি ভিকটিম কাজী মকবুল হোসেন তার জন্মতারিখ জালিয়াতি করে অবসর ভাতা গ্রহণের জন্য উক্ত বিষয়টি ধামা চাপা দিয়ে সরকারি কোষাগার থেকে যাতে টাকা আত্মসাৎ করতে না পারে তার দাবি জানান।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000