শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তে দিনমজুর পরিবারের হাজং গৃহবধুকে ধর্ষণ ঘটনার বিচার দাবিতে মানববন্ধনফেঞ্চুগঞ্জের কটালপুরে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় সম্পন্নবিশ্বনাথে ৪০ উর্ধ্ব প্রিতী ফুটবল ম্যাচ ও পুরুস্কার বিতরণবিশ্বনাথে এমপি মোকাব্বির খান, ক্রিকেটের মতো ফুটবলেও আমরা সফল হবোদ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্টিত সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ ছাত্রলীগেরডিবির অভিযানে ২১ পিচ ইয়াবাসহ পটুয়াখালীতে সাবেক সেনা সদস্য গ্রেপ্তারদুপক্ষের গোলাগুলিতে দিল্লির আদালতকক্ষে নিহত ৪আগামীকাল ফেঞ্চুগঞ্জের কটালপুরে বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ নির্নয়ডাঃ বদরুল জয়নাল ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের আলোচনা সভা বালাগঞ্জে অনুষ্ঠিতসামাজিক মাধ্যমে তোলপাড়, লেবুখালী পায়রা সেতুতে মাত্রাতিরিক্ত টোল

নিরাপত্তা চেয়ে মিতু হত্যার অন্যতম আসামির স্ত্রীর থানায় জি,ডি

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১
  • ১২২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্টঃনিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার।
মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানায় তিনি জিডি করেন। রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মাহবুব মিল্কি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি বাংলা গণমাধ্যমকে জানান , ‘জিডিতে পান্না আক্তার উল্লেখ করেন, সোমবার (৩১ মে) তিনি মিতু হত্যা মামলায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কেউ তার ক্ষতি করতে পারে। সেই আশঙ্কা থেকে তিনি থানায় জিডি দায়ের করেন।’

এর আগে সোমবার বিকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হোসাইন মোহাম্মদ রেজার আদালতে পান্না আক্তার জবানবন্দি দেন। পান্না আক্তারের স্বামী কামরুল ইসলাম শিকদার মুছা আলোচিত মিতু হত্যা মামলার দুই নম্বর আসামি। গত ১২ মে চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন। মামলায় বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করা হয়।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় সড়কে খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। খুনিরা গুলি করার পাশাপাশি ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ‘নিখোঁজ’ আছেন কামরুল ইসলাম শিকদার মুছা। তবে তার স্ত্রী পান্না আক্তারের দাবি, মুসাকে ওই বছরের ২২ জুন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে মুছা নিখোঁজ রয়েছেন।

মিতু হত্যাকাণ্ডের পর মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার স্বামী সম্পর্কে গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, এক সময় মুছা সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। ২০০২ সালে দেশে ফিরে বালু সরবরাহের ব্যবসা শুরু করেন। তখন পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে ২০০৩ সালে বাবুল আক্তারের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর মুছা বাবুল আক্তারের ‘সোর্স’ হিসেবে কাজ শুরু করেন। বাবুলের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সোর্স ছিলেন মুছা।

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000