বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
নবীগঞ্জে হামিদুর রহমান হিলালের দ্বিতীয় বইয়ের মোড়ক উন্মোচনপটুয়াখালীতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এর জন্মদিন পালিতদুমকিতে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ বিষয়ক সমন্বয় সভারাজনগরের জোড়া খুনের ৫আসামী গ্রেফতারবকশীগঞ্জে বিনামূল্যে সার ও মাসকালাই বীজ বিতরণরাজনগরের সোনাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ম্যানজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক আব্দুল হাকিম রাজসৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে আল্ট্রা সনোগ্রাম মেশিন থাকলেও সেবা থেকে বঞ্চিত রোগীরাবিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে সিভি জমা দিলেন ১০ আ’লীগ নেতাবিশ্বনাথ পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী মো. দবির মিয়া সকলের দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেনসিলেট-সুনামগঞ্জ মহা সরক দূর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ২

নিরাপত্তা চেয়ে মিতু হত্যার অন্যতম আসামির স্ত্রীর থানায় জি,ডি

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১
  • ৩২৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্টঃনিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন আলোচিত মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার অন্যতম আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার।
মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানায় তিনি জিডি করেন। রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি মাহবুব মিল্কি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাঙ্গুনিয়া থানার ওসি বাংলা গণমাধ্যমকে জানান , ‘জিডিতে পান্না আক্তার উল্লেখ করেন, সোমবার (৩১ মে) তিনি মিতু হত্যা মামলায় আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কেউ তার ক্ষতি করতে পারে। সেই আশঙ্কা থেকে তিনি থানায় জিডি দায়ের করেন।’

এর আগে সোমবার বিকালে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হোসাইন মোহাম্মদ রেজার আদালতে পান্না আক্তার জবানবন্দি দেন। পান্না আক্তারের স্বামী কামরুল ইসলাম শিকদার মুছা আলোচিত মিতু হত্যা মামলার দুই নম্বর আসামি। গত ১২ মে চট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানায় এই মামলাটি দায়ের করেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন। মামলায় বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করা হয়।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি মোড়ে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় সড়কে খুন হন পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মিতু। খুনিরা গুলি করার পাশাপাশি ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই ‘নিখোঁজ’ আছেন কামরুল ইসলাম শিকদার মুছা। তবে তার স্ত্রী পান্না আক্তারের দাবি, মুসাকে ওই বছরের ২২ জুন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজন তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে মুছা নিখোঁজ রয়েছেন।

মিতু হত্যাকাণ্ডের পর মুছার স্ত্রী পান্না আক্তার স্বামী সম্পর্কে গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, এক সময় মুছা সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। ২০০২ সালে দেশে ফিরে বালু সরবরাহের ব্যবসা শুরু করেন। তখন পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। এক পর্যায়ে ২০০৩ সালে বাবুল আক্তারের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর মুছা বাবুল আক্তারের ‘সোর্স’ হিসেবে কাজ শুরু করেন। বাবুলের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সোর্স ছিলেন মুছা।

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000