বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
কুমিল্লার গোমতী চরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৩ ব্যবসায়ি গ্রেফতার সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানাসিলেটের বিশ্বনাথের লামাকাজীতে ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক একাধিক প্রতিষ্টানকে জরিমানাপটুয়াখালীর দুমকিতে ৫০ তম স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্ধোধনআগামীকাল নতুন বেরী ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের ২য় গজল সন্ধ্যাঃ আসছেন বুলবুলসুনামগঞ্জের ছাতকের মল্লিকপুর লতিফিয়া ক্বারী সোসাইটির কমিটি গঠনসিলেটের বিশ্বনাথের লামাকাজীতে চেয়ারম্যান ধলা মিয়ার সমর্থনে সৎপুর গ্রামে উঠান বৈঠকবিশ্বনাথের লামাকাজীতে ‘বৈদ্যুতিক পাখা’ প্রতিকের নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ের উদ্বোধনজামালপুরের বকশীগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনা নিয়ে এসপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতজামালপুরের বকশীগঞ্জে সম্মানী ভাতা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আফসার আলীসিলেটের বিশ্বনাথে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে নির্বাচন কর্মকর্তার মতবিনিময়

ড্রেন নির্মাণে চরম গাফলতি দোয়ারাবাজারে ,দুর্ভোগে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ

ইসমাইল হোসাইন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৪২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

দোয়ারাবাজারে ড্রেন নির্মাণে চরম গাফলতি,ভোগান্তির অন্ত নেই। সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার ১ং বাংলাবাজার ইউনিয়নের ডালিয়া গ্রাম হয়ে কলাউড়া মাদ্রাসা যাওয়ার একমাত্র সড়কের ড্রেন নির্মাণে অকল্পনীয় গাফলতি।জনশ্রুতি ১০০ফুট ড্রেনের কাজ ৪ মাস পূর্বে শুরু হলেও কবে শেষ হবে তা সবারি অজানা। এলজিইডি,র অধীনে এই নির্মাণ কাজ পায় একটি স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

ভরা বৃষ্টি মৌসুমে তড়িঘড়ি করে অর্ধ কিলোমিটার রাস্তা ভেঙ্গে ড্রেনের কাজ শুরু করলেও ছিমছাম কিছু দিন কাজ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা।নিদারুণ ভোগান্তিতে পরতে হয়েছে গ্রামবাসীকে। সড়কে একপাশে মাটির স্তুপ অপর পাশে ৪/৫ফুট গর্ত থাকায় চলাচল অনুপোযোগী হয়ে পরেছে। নুখ টিপে পাড় হতে হয় সড়ক।এ যেন এক মরণ ফাঁদ।প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। বৃহত্তর কলাউড়া গ্রামের অধিকাংশ মানুষের জেলা শহরে যাতায়াতের, এই একটিই সড়ক।সবজি অদর্শিত অঞ্চলের মানুষ সবজি বাজারজাত করতে, পরতে হচ্ছে বিপাকে। এ যেন এক বিষফোঁড়া।

পল্লীর অধিকাংশ মানুষই প্রয়োজনের তাগিদে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে রিক্সায়,টমটম,বাইসাইকেলে যাতায়াত করেন।কিন্তু দায়সারা ড্রেনেজ নির্মাণেত দরুন, সব ধরনের যাতায়াত ব্যবস্থা একেবারে ২মাস যাবত বন্ধ। বিশেষ করে মাদ্রাসা, স্কুল,কিন্ডারগার্টেন ও কলেজ পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির অন্ত নেই। ভ্যান গাড়ি ড্রাইভার ইবরাহীম বলেন,গাড়ি চালিয়ে সংসার চালাই কিন্তু সড়কের ড্রেনের কারনে ২০মিনিটের রাস্তা ৪০মিনিটে ঘুরে আসতে হয়।এটা আমাদের মতো ড্রাইভারদের জন্য খুবি কষ্টের।

পথচারী জালাল বলেন, কর্তৃপক্ষের উদাসিতায় আমরা সাধারণ পথচারী কষ্ট পাচ্ছি যা মোটেই কাম্য নয়।স্কুল পড়ুয়া ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আরিফ বলেন, এখানে আসলে আমার খুব ভয় হয়, কখন জানি গর্তে পরে যাই কিনা। অনেক কষ্ট করে এই দুর্গম ড্রেনের এরিয়া পাড়ি দেই। তিনি বিষয়টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

কাজ হচ্ছে না কেন জানতে চাইলে ইউনিয়ন পরিষদের সদেস্যা মিনারা বেগম বলেন, আমার যত সরকারি বাজেট ছিল তা শেষ, দেখি গ্রামবাসীও সরকারি অনুদান পেলে পুনরায় কাজ শুরু করবো।ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম আহমদ চৌধুরী রানা বলেন,বিষয়টি আমার নজরে আছে খুব অল্প সময়ে তার একটা সমাধান হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000