মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
শোক দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্বনাথের লামাকাজী ইউপি আ’লীগের সভা ও দোয়া মাহফিলপটুয়াখালীতে মিথ্যা বানোয়াট ও ভুয়া সনদপত্র দিয়ে দীর্ঘ দিন চাকুরী ও অবসর ভাতা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছদেওয়ান বাজার ইউনিয়ন জামায়াতের ঢেউটিন বিতরণশোক দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্বনাথ পৌর কৃষক লীগের সভা ও দোয়া মাহফিলনন গিয়ার সাইকেল দিয়ে অদম্য সাহসী যুবকের ১০০তম সেঞ্চুরি রাইড সম্পন্নবকশীগঞ্জের চন্দ্রাবাজ আল নূর জামে মসজিদের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনবিশ্বনাথে শিক্ষার্থীদের ‘আলতাফ-আফিয়া ট্রাস্ট’র বৃত্তি প্রদান করেন নুনু মিয়াসিলেট মিডিয়া কর্পোরেশন ও ফেঞ্চুগঞ্জ উত্তর কুশিয়ারা আন্তজার্তিক অনলাইন গ্রুপ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউটিন দিলোপটুয়াখালীর দুমকিতে কৃষককে ‘অপহরণের চেষ্টার সময়’ আটক-১বিশ্বনাথে পিএফজি’র ফলোআপ সভা অনুষ্টিত

ড্রেন নির্মাণে চরম গাফলতি দোয়ারাবাজারে ,দুর্ভোগে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ

ইসমাইল হোসাইন
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১৯৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

দোয়ারাবাজারে ড্রেন নির্মাণে চরম গাফলতি,ভোগান্তির অন্ত নেই। সুনামগঞ্জ জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলার ১ং বাংলাবাজার ইউনিয়নের ডালিয়া গ্রাম হয়ে কলাউড়া মাদ্রাসা যাওয়ার একমাত্র সড়কের ড্রেন নির্মাণে অকল্পনীয় গাফলতি।জনশ্রুতি ১০০ফুট ড্রেনের কাজ ৪ মাস পূর্বে শুরু হলেও কবে শেষ হবে তা সবারি অজানা। এলজিইডি,র অধীনে এই নির্মাণ কাজ পায় একটি স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

ভরা বৃষ্টি মৌসুমে তড়িঘড়ি করে অর্ধ কিলোমিটার রাস্তা ভেঙ্গে ড্রেনের কাজ শুরু করলেও ছিমছাম কিছু দিন কাজ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান লাপাত্তা।নিদারুণ ভোগান্তিতে পরতে হয়েছে গ্রামবাসীকে। সড়কে একপাশে মাটির স্তুপ অপর পাশে ৪/৫ফুট গর্ত থাকায় চলাচল অনুপোযোগী হয়ে পরেছে। নুখ টিপে পাড় হতে হয় সড়ক।এ যেন এক মরণ ফাঁদ।প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। বৃহত্তর কলাউড়া গ্রামের অধিকাংশ মানুষের জেলা শহরে যাতায়াতের, এই একটিই সড়ক।সবজি অদর্শিত অঞ্চলের মানুষ সবজি বাজারজাত করতে, পরতে হচ্ছে বিপাকে। এ যেন এক বিষফোঁড়া।

পল্লীর অধিকাংশ মানুষই প্রয়োজনের তাগিদে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে রিক্সায়,টমটম,বাইসাইকেলে যাতায়াত করেন।কিন্তু দায়সারা ড্রেনেজ নির্মাণেত দরুন, সব ধরনের যাতায়াত ব্যবস্থা একেবারে ২মাস যাবত বন্ধ। বিশেষ করে মাদ্রাসা, স্কুল,কিন্ডারগার্টেন ও কলেজ পড়ুয়া কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির অন্ত নেই। ভ্যান গাড়ি ড্রাইভার ইবরাহীম বলেন,গাড়ি চালিয়ে সংসার চালাই কিন্তু সড়কের ড্রেনের কারনে ২০মিনিটের রাস্তা ৪০মিনিটে ঘুরে আসতে হয়।এটা আমাদের মতো ড্রাইভারদের জন্য খুবি কষ্টের।

পথচারী জালাল বলেন, কর্তৃপক্ষের উদাসিতায় আমরা সাধারণ পথচারী কষ্ট পাচ্ছি যা মোটেই কাম্য নয়।স্কুল পড়ুয়া ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আরিফ বলেন, এখানে আসলে আমার খুব ভয় হয়, কখন জানি গর্তে পরে যাই কিনা। অনেক কষ্ট করে এই দুর্গম ড্রেনের এরিয়া পাড়ি দেই। তিনি বিষয়টি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

কাজ হচ্ছে না কেন জানতে চাইলে ইউনিয়ন পরিষদের সদেস্যা মিনারা বেগম বলেন, আমার যত সরকারি বাজেট ছিল তা শেষ, দেখি গ্রামবাসীও সরকারি অনুদান পেলে পুনরায় কাজ শুরু করবো।ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম আহমদ চৌধুরী রানা বলেন,বিষয়টি আমার নজরে আছে খুব অল্প সময়ে তার একটা সমাধান হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000