মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ১০:৪৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১০০ শয্যা হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স দুইটিই রোগাক্রান্ত, চিকিৎসার উদ্যোগ নেইশাবির ঘটনায় পটুয়াখালীর দুমকিতে ছাত্রদলের প্রতিকী অনশনআন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আর্থিক লেনদেনের ছয়টি অ্যাকাউন্ট বন্ধের অভিযোগবিশ্বনাথের লামাকাজীতে ‘ঘোড়া’ প্রতিকের নির্বাচনী মিছিল ও সভাদুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পটুয়াখালীতে বহুযাত্রী আহতসিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম্যান নুনু মিয়া’র মা গুরুতর অসুস্হ, দোয়ার আরজিবিশ্বনাথে নির্বাচনী আচরণবিধি অবহিতকরণ ও মতবিনিময় সভাসিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভাকরোনায় আক্রান্ত ছাতকের ইউএনওসিলেটের বিশ্বনাথে টমটম চালককে চুরিকাঘাত করে গাড়ী ও মোবাইল ফোন ছিনতাই

ডা. মুরাদের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা আবেদনের শুনানি শেষ, আদেশ পরে

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৫৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানসহ দুই জনের বিরুদ্ধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মেয়ে জাইমা রহমান সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ, অশ্লীল বক্তব্য প্রদানের অভিযোগে মামলার আবেদনের শুনানি নিয়েছেন ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনাল। মামলার অপর আসামি হলেন, মহিউদ্দিন হেলাল নাহিদ।



আজ সোমবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে বিচারক আস শামস জগলুল হোসেন এ শুনানি গ্রহণ করেন। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার এ আবেদনের শুনানি করেন। শুনানি শেষে বিচারক পরে আদেশ দিবেন বলে জানিয়েছেন।

এর আগে গতকাল রবিবার মামলার আবেদনটি করেন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা ও ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাবেক এ সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক ফারুকী। সেদিন বিচারক না থাকায় আজ সোমবার শুনানির দিন ঠিক করা হয়।

মামলার আবেদনে বলা হয়, তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ব্যারিষ্টার-এট-ল’ ডিগ্রী লাভ করেছেন। বর্তমানে সে যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় নিয়েজিত রয়েছেন। জইমা রহমানের দাদা শহীদ প্রেসিডিন্ট জিয়াউর রহমান, দাদী তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

মামলায় বলা হয়, মামলার আসামি ডা. মুরাদ হাসান বর্তমান সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ছিলেন এবং ২ নং আসামি নাহিদ একজন মিডিয়া উপস্থাপক। গত ১ ডিসেম্বর আসামি নাহিদ আসামি ডা. মুরাদ হাসানের স্বাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। যা পরবর্তীতে আসামি ডা. মুরাদ হাসান তার ফেসবুক ভেরিফাইড পেজে প্রচার ও প্রকাশ করেন। উক্ত স্বাক্ষাৎকারের ডা. মুরাদ হাসান উদ্দেশ্যমূলকভাবে জিয়া পরিবার এবং ব্যারিষ্টার জাইমা রহমান সম্পর্কে কুরুচিপূর্ণ, মিথ্যাচার, নারী বিদ্বেষী, মানহানিকার অশ্লীল মন্তব্য করেন।

মামলায় আরও বলা হয়, আসামি ডা. মুরাদ হাসান সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল অনুয়ায়ী যে সাংবিধিানিক শপথ গ্রহণ করেছিলেন তা এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি লঙ্গন করেছেন। আসামিদের এহেন কর্মকাণ্ড ফেসবুকের মাধ্যমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। যাতে করে সর্বমহলে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে বিভিন্ন মহল থেকে আসামি ডা. মুরাদের মন্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং জানাচ্ছে। আসামিদের এ কর্মকাণ্ড জিয়া পরিবার ও ব্যারিষ্টার জাইমা রহমানসহ সমগ্র নারী সমাজের জন্য মানহানিকার ও অপমানজনক। উক্ত মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়েছে। তাই এ অপরাধ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৫/২৯/৩১/৩৫ ধারায় শস্তিযোগ্য হওয়ায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগটি আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা প্রয়োজন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000