বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:০৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
ফেঞ্চুগঞ্জ উত্তর কুশিয়ারা আন্তর্জাতিক অনলাইন গ্রুপ ও সিলেট মিডিয়া কর্পোরেশনের উদ্দ্যোগে ৬ষ্ঠ ঘরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনবিশ্বনাথের লামাকাজীতে দোয়ার মাধ্যমে ‘ঘোড়া’ প্রতিকের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় উদ্ভোধনকুমিল্লার গোমতী চরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ৩ ব্যবসায়ি গ্রেফতার সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা জরিমানাসিলেটের বিশ্বনাথের লামাকাজীতে ভ্রাম্যমান আদালত কর্তৃক একাধিক প্রতিষ্টানকে জরিমানাপটুয়াখালীর দুমকিতে ৫০ তম স্কুল, মাদ্রাসা ও কারিগরি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্ধোধনআগামীকাল নতুন বেরী ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের ২য় গজল সন্ধ্যাঃ আসছেন বুলবুলসুনামগঞ্জের ছাতকের মল্লিকপুর লতিফিয়া ক্বারী সোসাইটির কমিটি গঠনসিলেটের বিশ্বনাথের লামাকাজীতে চেয়ারম্যান ধলা মিয়ার সমর্থনে সৎপুর গ্রামে উঠান বৈঠকবিশ্বনাথের লামাকাজীতে ‘বৈদ্যুতিক পাখা’ প্রতিকের নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ের উদ্বোধনজামালপুরের বকশীগঞ্জে ইউপি নির্বাচনে সহিংসতার ঘটনা নিয়ে এসপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

জানুয়ারি মাসে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৯৬ কোটি ডলার

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ২৬৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

 করোনাকালীন সময়েও জানুয়ারি মাসে বিপুল পরিমাণ টাকা পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই মাসে তারা ১৯৬ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা বাংলাদেশের মুদ্রায় প্রায় ১৬ হাজার ৬৬০ কোটি টাকা।

গত বছর একই সময়ে প্রবাসীরা ১৬৪ কোটি ডলার বা ১৩ হাজার ৯৪০ কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন। গত বছরের জানুয়ারির তুলনায় এবারে একই মাসে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় বেড়েছে ২ হাজার ৭২০ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সাত মাসে প্রবাসীরা সব মিলিয়ে ১ হাজার ৪৯০ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৩৮৬ কোটি ডলার বেশি।   

গত অর্থবছরের জুলাই-জানুয়ারি সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ১ হাজার ১০৪ কোটি ডলার। এতে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের ৭ মাসে প্রবাসী আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩৫ শতাংশ। এদিকে প্রবাসীদের ওপর ভর করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে এখন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বা মজুত এখন ৪ হাজার ২৯১ কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিক দেশে ফিরে এলেও বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রবণতা বাড়ছে।

 গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকার যখন প্রবাসী আয় বাড়াতে ২ শতাংশ প্রণোদনা ঘোষণা করে, তখন থেকেই প্রবাসী আয়ে গতি আসতে থাকে। অবৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো কমতে থাকে। করোনার মধ্যে প্রবাসী আয়ে বড় ধরনের ধাক্কা লাগার আশঙ্কা করা হলেও তাতে তেমন প্রভাব পড়েনি। বরং প্রতি মাসে আগের রেকর্ড ভাঙছেন প্রবাসীরা।

প্রতি মাসেই প্রবাসী আয় বাড়া প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, করোনায় প্রবাসীদের আয় কমে গেলেও পরিবার-পরিজনের কাছে তাঁরা ঠিকই টাকা পাঠাচ্ছেন। আগে অবৈধ পথে (হুন্ডি) বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স এলেও সেটি করোনাকালে বন্ধ হয়ে গেছে। এর ওপর প্রবাসী আয় বিতরণ সহজ করে দিয়েছে এজেন্ট ব্যাংকিং, মোবাইল ব্যাংকিং, ব্যাংকের উপশাখাগুলো। এর ফলে বৈধ পথে এখন রেমিট্যান্স বেশি আসছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000