সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিটি কর্পোরেশন সহ সিলেটের ৩২টি অফিসের বিরুদ্ধে বেশি অভিযোগ দুদকের গণশুনানিতেসিলেট জেলার ৩টি উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হলেন যারাখাজাঞ্চী ইউপি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রীতিগঞ্জ বাজারে স্হাপনের দাবিতে বিশ্বনাথে সভাভোট স্থগিত: কিশোরগঞ্জে কেন্দ্রে ঢুকে ভাঙ্চুর অগ্গিসংযোগ ব্যালট বাক্স ছিনতাই আহত-৩০স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ সমাবেশ পটুয়াখালীর দুমকিতেনীলফামারীর সৈয়দপুরে ইজিবাইকের চাপায় বৃদ্ধ নিহতকুমিল্লার দেবীদ্বার সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন দেবীদ্বার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদসকাল হলেই সিলেট বিভাগের ৭৭টি ইউনিয়নে ভোট যুদ্ধসেমিনার করলো এবিসি ইংলিশ ইনষ্টিটিউট বিশ্বনাথেউপজেলা চেয়ারম্যান নুনু মিয়া বিশ্বনাথে শীত বস্ত্র বিতরণ করেছেন

চার্জশিট নিয়ে যা বললেন রায়হানের মা

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৫ মে, ২০২১
  • ১৯২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

শুরু থেকেই রায়হান আহমদের মৃত্যুকে হত্যাকান্ড হিসেবে দাবি করে আসছে তার পরিবার। পুলিশের নির্যাতনে হত্যা করা হয়েছে এমন দাবি করে এই হত্যাকান্ডের বিচার দাবিতে আন্দোলনে নামেন রায়হানের স্ত্রী ও মা সালমা বেগম।

এই আন্দোলন ক্রমেই ছড়িয়ে পড়ে পুরো সিলেটে। রায়হানের মৃত্যুর প্রায় সাত মাস এই মামলার অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিশেন (পিবিআই)। অভিযোগপত্রে রায়হানকে পুলিশ ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে নির্যাতন চালানোর প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযুক্ত করা হয়েছে ৫ পুলিশ সদস্যসহ ৬ জনকে।

বুধবার সকালে জমা দেওয়া এই অভিযোগপত্র নিয়ে দুপুরে কথা হয় রাহয়ান আহমদের মা সালমা বেগমের সাথে।

অভিযোগপত্র নিয়ে তিনি বলেন, পিবিআই একটি দীর্ঘ অভিযোগপত্র দিয়েছে। এটি পুরোটা এখনও আমি পড়তে পারিনি। এছাড়া আমি একজন সাধারণ গৃহিনী। আইনী সব বিষয় বুঝিও না। এই অভিযোগপত্র নিয়ে আমার আইনজীবীদের সাথে কথা বলবো। তাদের পরামর্শ মতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।

অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেওয়ার পর বুধবার দুপুরে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে পিবিআই। সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই পুলিশ সুপার খালেদ উজ জামান বলেন, তদন্তে রায়হানকে ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে নির্যাতনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। কিন্তু এই নির্যাতনের সাথে কোনো পূর্ব বিরোধের সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, দীর্ঘ তদন্ত, সবার সাক্ষ্যগ্রহণ এবং রায়হান, আকবরসহ সংশ্লিষ্টদের মোবাইল ফোন আলাপ সংগ্রহ করেও আমরা এরকম কোনো প্রমাণ পাইনি। রায়হানকে নির্যাতনের সাথে পূর্ব বিরোধের কিছু পাওয়া যায় নি।

যদিও রায়হানের মা সালমা বেগম প্রথম থেকেই অভিযোগ করে আসছেন, অন্য কারো ইন্ধনে পূর্ব পরিকল্পনার জেরে রায়হানকে তুলে এনে নির্যাতন করেছে পুলিশ।

এ প্রসঙ্গে বুধবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সালমা বেগম বলেন, পূর্ব বিরোধ না থাকলেও আমার ছেলেকে ধরে নির্যাতন করার অধিকার কারো নাই। সে অন্যায় করে থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ মারধর করবে কেনো?

সালমা বেগম বলেন, রায়হানকে রাত ১টার দিাকে তুলে নেয়। সকাল ৭টার দিকে সে মারা যায়। এই ৬ ঘন্টা ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে তাকে অবর্ণনীয় নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমি এই হত্যাকান্ডের বিচার চাই। এখানে পূর্ববিরোধ বা তাৎক্ষণিক বিরোধ মূখ্য বিষয় নয়।

আলোকিত সিলেট/৫এপ্রিল/এমবিএইচ

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000