বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:০০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
নবীগঞ্জে হামিদুর রহমান হিলালের দ্বিতীয় বইয়ের মোড়ক উন্মোচনপটুয়াখালীতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এর জন্মদিন পালিতদুমকিতে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ বিষয়ক সমন্বয় সভারাজনগরের জোড়া খুনের ৫আসামী গ্রেফতারবকশীগঞ্জে বিনামূল্যে সার ও মাসকালাই বীজ বিতরণরাজনগরের সোনাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ম্যানজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক আব্দুল হাকিম রাজসৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে আল্ট্রা সনোগ্রাম মেশিন থাকলেও সেবা থেকে বঞ্চিত রোগীরাবিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে সিভি জমা দিলেন ১০ আ’লীগ নেতাবিশ্বনাথ পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী মো. দবির মিয়া সকলের দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেনসিলেট-সুনামগঞ্জ মহা সরক দূর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ২

ঘনিয়ে আসছে ঘুর্ণিঝড় যশ

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ মে, ২০২১
  • ৩৮৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ঢাকা-রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকাজুড়ে দিনের বেলা বয়ে যাচ্ছে দাবদাহ। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ট জনজীবন। সন্ধ্যা নামতেই অনেক জায়গায় শুরু হয় কালবৈশাখী আর বজ্রপাত।

এই পরিস্থিতির মধ্যে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের যে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল, তা আরও পরিণত হয়েছে। শনিবারের মধ্যে বঙ্গোপসাগরের আন্দামান দ্বীপপুঞ্জের কাছাকাছি এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে বলা হয়েছে, লঘুচাপটি আগামীকাল রোববার (২৩মে) নিম্নচাপ ও ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। ২৫ মে রাতে বা ২৬ মের মধ্যে সেটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে আঘাত করতে পারে।

এদিকে বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ সৃষ্টির আগের দুই দিন, অর্থাৎ শনিবার ও রোববার রাজধানীসহ দেশের বেশির ভাগ এলাকাজুড়ে ভ্যাপসা গরমের অনুভূতি বাড়বে। দিনের বেলা তাপমাত্রা বেড়ে দাবদাহ বিস্তৃত হতে পারে। ফলে গরমের কষ্টে ভুগতে হবে দেশবাসীকে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান এ ব্যাপারে বলেন, শনিবারের মধ্যে লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের কাছে আসতে পারে। তবে এটি কেমন শক্তি নিয়ে আঘাত করবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

জানা যাচ্ছে, এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম রেখেছে ওমান। এই ঝড়ের নাম যশ বা ইয়াস। যার মানে হল দু:খ। পারসি ভাষা থেকে এই শব্দটি এসেছে। ভারত, বাংলাদেশ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, শ্রীলঙ্কা-সহ ১৩টি দেশ নিয়ে গঠিত কমিটি এই নাম ঠিক করেছে।

আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, যে মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়, তার অববাহিকায় থাকা দেশগুলি নামকরণ করে। পৃথিবীতে মোট ১১টি সংস্থা ঝড়ের নাম ঠিক করে। ওয়ার্ল্ড মেটেরোলজিক্যাল অর্গানাইজেশন ও ইউনাইটেড নেশনস ইকোনমিত অ্যান্ড সোশ্যাল কমিশন ফর এশিয়ার সদস্য দেশগুলি ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণ শুরু করে।

যশের পর আরও যে ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করা হয়েছে, সেগুলি হল গুলাব, সাহিন, জাওয়াদ, অশনি, সীতরাং, মানদৌস, মোচা।

আলোকিত সিলেট/এমবিএইচ

 

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000