বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ০১:২৩ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বিশ্বনাথে ‘হাজী তেরা মিয়া ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট’র পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণজামালপুরের বকশীগঞ্জে অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিতমৌলভীবাজার মুনিয়া নদী থেকে বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধারমৌলভীবাজারের রাজনগরে গ্রীল ভেঙে ঘরে ঢুকে গরু চুরিবিশ্বনাথে কলেজ ছাত্রলীগের ৫ নেতাকর্মী আহত : আটক ১বিশ্বনাথের খাজাঞ্চী ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণ করলেন শফিক চৌধুরীনীলফামারীর সৈয়দপুরে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া কে হত্যার হুমকি প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভমৌলভীবাজারের রাজনগরে সড়ক দূর্ঘটনায় ১জন নিহতবিশ্বনাথের রামপাশা ইউনিয়নে বন্যার্তদের মধ্যে অ্যাডভোকেট গিয়াসের চাল বিতরণরাজনগরে সম্পন্ন হলো অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মশালা

গ্রাহকের টাকা আত্নসাতের মামলায় বিশ্বনাথের ইটভাটা মালিক ইর্শ্বাদ আলী কারাগারে

ফারুক আহমদ
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ১৭৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার কালীগঞ্জ বাজার সংলগ্ন ‘মেসার্স আল-আমিন ব্রিকর্স’র মালিক ও বহুল আলোচিত ব্যবসায়ী ইশাদ আলীর জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ১৫৪ জন গ্রাহকের টাকা আত্নসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত ইর্শ্বাদ আলী ‘প্রতারণা’র অভিযোগে দায়েরকৃত একটি মামলায়
আজ রোববার (৮ আগস্ট) আদালতে জামিন চাইলে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।

অভিযুক্ত ইর্শ্বাদ আলী বিশ্বনাথ পৌর শহরের চৌধুরীগাঁও গ্রামের মৃত তবারক আলীর পুত্র।

আলোচিত ইটভাটা মালিক ইর্শ্বাদ আলীর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে গত ৩০ জুন সিলেট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন উপজেলার খাজাঞ্চী ইউনিয়নের রগুপুর গ্রামের মদরিছ আলীর পুত্র ও বিশ্বনাথ ট্রাক-পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফরিদ মিয়া। ওই মামলায় ইর্শ্বাদ আলী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালত এর বিচারক হারুনুর রশিদের আদালতে জামিন আবেদন করেন।

ইর্শ্বাদ আলীর জামিন নামঞ্জুর হওয়ার সত্যাতা নিশ্চিত করে বাদী পক্ষের আইনজীবী খালেদ হোসেন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, প্রায় ১০ বৎসর ধরে ব্যবসায়িক লেনদেন থাকার সুবাদে অভিযুক্ত ইর্শ্বাদ আলী ও তার পুত্র নাজমুল ইসলামের সাথে মামলার বাদী ফরিদ মিয়া সু-সম্পর্ক ও বিশ্বাস গড়ে উঠে। আর এর সূত্রে ধরে ‘ইট, কংক্রিট. বালু ও পাথরের ব্যবসায়ী’ মামলার বাদী অভিযুক্তদের ইটভাটা হতে প্রতিনিয়ত ইট ক্রয় করে বিক্রি করে আসছেন।

এমতাবস্থায় ২০১৫ সালে বাদীর কাছ থেকে কাচা ইট পুড়ানোর কথা বলে অভিযুক্তরা সাড়ে ৭ লক্ষ টাকা নেন। কথা ছিলো ওই টাকা ইট ভাটায় ইট পুড়ানো কার্যক্রমের পুঁজি হিসেবে অভিযুক্তরা বিনিয়োগ করবেন এবং প্রতি বছর ফরিদ মিয়াকে নগদ টাকায় ব্যবসার সুবিধার্থে সর্ব প্রথম ইটভাটা হতে পাকা ইট প্রদান করিবেন। এমতাবস্থায় যদি বাদী অভিযুক্তদের সাথে তার ব্যবসা বন্ধ করে দেন সেক্ষেত্রে অভিযুক্তরা বাদীর পাওনা টাকা (সাড়ে ৭ লাখ) পরিশোধ করবেন।

আইনজীবী খালেদ হোসেন আরো জানান, কিন্তু অভিযুক্তরা তাদের শর্ত ভঙ্গ করায় গত ৮ জুন অভিযুক্তদের কাছে নিজের দেওয়া জামানতের পাওনা টাকা ফেরত চান মামলার বাদী ফরিদ মিয়া। টাকা পরিশোধের জন্য এক সপ্তাহের সময় নেন অভিযুক্তরা। পবর্তীতের ১৬ জুন আবারও টাকা ফেরত চাইলে বাদীর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন অভিযুক্তরা। বাদীর সরলতা ও বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে অভিযুক্তরা বাদী ফরিদ মিয়ার সাথে প্রতারণ করেন। এছাড়া বাদী ফরিদ মিয়ার কাছ থেকে আরও ৭ লাখ টাকা কর্য (ধার) নেন অভিযুক্ত ইর্শ্বাদ আলী ও নাজমুল ইসলাম। ওই ৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এনআই এ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় আরও একটি মামলা দায়ের করেন বিশ্বনাথ ট্রাক-পিকআপ কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ফরিদ মিয়া।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000