বুধবার, ০৬ জুলাই ২০২২, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
বিশ্বনাথে বিভিন্ন স্থানে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলেন এসএম নুনু মিয়াবিশ্বনাথে বন্যার্তদের মাঝে বেইত আল-খাইর সোসাইটি’র খাদ্যসামগ্রী বিতরণবিশ্বনাথে আশ্রয়ণ প্রকল্পে এসএম নুনু মিয়ার এান ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণসাংসদ আদেলের বরাদ্দে খাতামধুপুরের সুতারপাড়াবাসী পেলো হেরিং বোন রাস্তারাজনগরে ভোটার তালিকা হালনাগাদ সমন্বয় কমিটির সভাএনটিভির ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে খাবার বিতরণ ও চিকিৎসা সহায়তা প্রদানবিশ্বনাথে বন্যার্তদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপহার এান ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন নুনু মিয়ারাজনগরে কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও কৃষি অফিসারের কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধনবিশ্বনাথে থানা পুলিশের উদ্যোগে খাদ্যসামগ্রী বিতরণছাতকে ইমাম মোয়াজ্জিন গণকে খাদ্য সামগ্রী উপহার দিলেন সাহেল

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রাম্য সালিশে লাখ টাকা নিয়ে, জুতা বারি দিয়ে মিমাংসার অভিযোগ

সফিকুল ইসলাম রাজা,গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১
  • ২২৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় গ্রাম্য সালিশে লাখ টাকা নিয়ে জুতা বারি দিয়ে মিমাংসার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার সাপমারা ইউনিয়নের চক রহিমাপুর গুচ্ছগ্রামে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী থানায় অভিযোগ দিলেও তাকে গ্রাম্য সালিশ মানতে বাধ্য করা হচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে সালিশকারীরা টাকা নিয়ে ভুক্তভোগীকে সালিশের সিন্ধান্ত মানতে বাধ্য করছে।

জানা গেছে, চক রহিমাপুর গুচ্ছ গ্রামের হয়রতের ছেলে আউয়াল মিয়া একই গ্রামের ২২ বছর বয়সী এক গৃহবধূকে গত ২৮ জুলাই ধর্ষণের চেষ্টা করে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূ গোবিন্দগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর থেকে তাকে মিমাংসা করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে থাকে গ্রাম্য মাতব্বরেরা। তিনি অভিযোগ তুলতে রাজি না হলেও গ্রাম্য সালিশের সিন্ধান্ত তাকে মানতে বাধ্য করা হয়।

গত রোববার বিকালে ওই গ্রামের বাবু মিয়ার বাড়ির উঠানে ইউপি সদস্য তুষার মাহদুদের নেতৃত্বে গ্রাম্য সালিশ হয়। সালিশে বাবু মিয়া, আলম, আলতাব সহ স্থানীয় মাতব্বরেরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ধর্ষণের চেষ্টাকারী আউয়াল মিয়াকে ধর্ষণের চেষ্টার শাস্তি স্বরুপ জুতা দিয়ে দুটি বাড়ি দেওয়া হয়। ভূক্তভোগীকে সালিশের সিন্ধান্ত মানতে বলা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক মহিলা জানান, এক লাখ টাকা দিয়েছে আউয়ালের পরিবার। ভুক্তভোগীকে দেওয়া হয়েছে ২০ হাজার টাকা। ৭৫ হাজার টাকা নিয়েছে সালিশকারীরা। বাঁকি ৫ হাজার টাকা অভিযোগ তুলতে খরচ বাবদ নেওয়া হয়েছে।

ভুক্তভোগী গৃহবূধর শাশুড়ি মাহমুদা বেগম বলেন, ইউপি সদস্য তুষার একজন লোক পাঠিয়ে জোরপূর্বক তাঁর ছেলে বউয়ের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিয়ে নেয়। তিনি আইনের মাধ্যমেই ধর্ষণ চেষ্টার বিচার চান বলে আরও জানান।

গ্রাম্য সালিশে ধর্ষণের চেষ্টা মিমাংসার কথা অস্বীকার করে স্থানীয় ইউপি সদস্য তুষার বলেন, আইনগত ভাবে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ গ্রাম্য সালিশে মিমাংসা করার সুযোগ নাই।

অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার উপপরিদর্শক জহিরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণ চেষ্টার সত্যতা পাওয়া গেছে। গ্রাম্য সালিশের তথ্য তিনি জানেন না জানিয়ে বলেন, এবিষয়ে গ্রাম্য সালিশে মিমাংসার সুযোগ নাই। আইন অনুসারেই এজাহার করা হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000