সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিটি কর্পোরেশন সহ সিলেটের ৩২টি অফিসের বিরুদ্ধে বেশি অভিযোগ দুদকের গণশুনানিতেসিলেট জেলার ৩টি উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হলেন যারাখাজাঞ্চী ইউপি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রীতিগঞ্জ বাজারে স্হাপনের দাবিতে বিশ্বনাথে সভাভোট স্থগিত: কিশোরগঞ্জে কেন্দ্রে ঢুকে ভাঙ্চুর অগ্গিসংযোগ ব্যালট বাক্স ছিনতাই আহত-৩০স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ সমাবেশ পটুয়াখালীর দুমকিতেনীলফামারীর সৈয়দপুরে ইজিবাইকের চাপায় বৃদ্ধ নিহতকুমিল্লার দেবীদ্বার সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন দেবীদ্বার উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদসকাল হলেই সিলেট বিভাগের ৭৭টি ইউনিয়নে ভোট যুদ্ধসেমিনার করলো এবিসি ইংলিশ ইনষ্টিটিউট বিশ্বনাথেউপজেলা চেয়ারম্যান নুনু মিয়া বিশ্বনাথে শীত বস্ত্র বিতরণ করেছেন

কলেজছাত্রী তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যা: আপীলেও খুনীদের ফাঁসি বহাল

মোঃমিজানুর রহমান,পটুয়াখালী প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৬৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ষোল বছর আগে পটুয়াখালীর দশমিনায় কলেজছাত্রী তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ দুই আসামির ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছেন। এতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার।



মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আসামিদের আপীল খারিজ করে ফাঁসি বহাল রাখেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপীল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ।

মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামি মোঃ মিরাজ খলিফা উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের গছানী গ্রামের মৃত আবু তাহের মাষ্টারের ছেলে এবং নুর আলম হাওলাদার ওরফে পচু ওরফে সুমন ওরফে নুরুল আলম একই গ্রামের খোরশেদ হাওলাদারের ছেলে। মামলার অপর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামের নুর হোসেন গাজীর ছেলে মোঃ জাফর গাজী ইতোমধ্যে কারাগারে মৃত্যুবরণ করায় তার আপীল বাদ দেওয়া হয়েছে।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গছানী নানাবাড়ী থেকে তানিয়া দশমিনা আবদুর রসিদ তালুকদার কলেজে (বর্তমানে সরকারী কলেজ) এইচএসসি প্রথম বর্ষে পড়াশুনা করতেন। ২০০৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর সকালে তানিয়া প্রাইভেট পড়ার জন্য নানা বাড়ি থেকে কলেজের উদ্দেশ্যে গেলে পথিমধ্যে আসামিরা তানিয়াকে অপহরণ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ শেষে হত্যা করে। এ ঘটনায় করা মামলায় আসামিদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

বরিশালের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২০০৬ সালে তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। ২০১২ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট ওই রায় বহাল রাখেন। এর বিরুদ্ধে আপীল করে আসামিরা।

নিহত তানিয়া উপজেলার ৩নং বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের বেতাগী সানকিপুর গ্রামের মোহাম্মদ আবু নোমান মাষ্টারের মেয়ে।

আপীল বিভাগ খুনীদের ফাঁসির আদেশ বহাল রাখায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে কান্না জড়িত কণ্ঠে তানিয়ার পিতা আবু নোমান মাষ্টার অবজারভারকে জানান, আমরা এ রায়ে সন্তুষ্ট। সরকার ও বিজ্ঞ আদালতের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। অতি দ্রুত এ রায় কার্যকরের দাবী জানান তিনি।

নিহত তানিয়ার অসুস্থ্য মাতা পিয়ারা খানম অবজারভারকে জানান, আমি আমার মেয়েকে হারিয়েছি। আর কাউকে যেন এভাবে সন্তান হারাতে না হয়। অতি দ্রুত এ রায় বাস্তবায়নের দাবী জানান তিনি।

দশমিনা সরকারি আবদুর রসিদ তালুকদার কলেজের ইসলামী শিক্ষা বিভাগের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক এবিএম মাইনুদ্দিন হেলালী অবজারভারকে জানান, তানিয়া অত্যন্ত মেধাবী, সুন্দর মনের ও চরিত্রবান মেয়ে ছিল। তার চালচলন কথাবার্তায় অনেক মাধুর্য ছিল। তার মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত হয়েছিলাম। আমরা শিক্ষক ছাত্রসহ সর্বস্তরের মানুষরা এ হত্যার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে মিছিলও করেছিলাম। আপীল বিভাগ আসামীদের আপীল খারিজ করে ফাঁসির আদেশ বহাল রাখায় আমি সন্তুষ্ট। অতি দ্রুত এ রায় বাস্তবায়নের দাবী জানাচ্ছি।

বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা দশমিনা উপজেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম অবজারভারকে জানান, আপীল বিভাগ সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আদেশ বহাল রাখায় আমি সন্তুষ্ট। ভবিষ্যতে যাতে এমন অপরাধের পুনরাবৃত্তি না ঘটে তাই অতি দ্রুত এ রায় কার্যকরের দাবী জানাচ্ছি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000