শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১, ১১:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মঞ্চে বিশৃঙ্খলা থাকায় বিরক্ত হয়ে বক্তৃতা শেষ না করেই নেমে গেলেন এলজিআরডি মন্ত্রীপ্রবাসীদের নিরাপত্তা ও স্বার্থ সংরক্ষণে সরকারের পাশাপাশি সাংবাদিকরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেনপবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) পালন বিশ্বনাথের লামাকাজী ইউনিয়নেভারি বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে নীলফামারীর ২২টি গ্রাম, ৪০০হাজার পরিবার পানি বন্দিমির্জা ফখরুল বলেছেন, পূজামন্ডপে হামলাকে পুঁজি করে সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করছেমাদকাসক্ত যুবককে জেল হাজতে প্রেরণ সৈয়দপুরের ওসি ও বাবা-মায়ের সহায়তায়তালামীযে ইসলামিয়ার পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উদযাপন উপলক্ষে র‌্যালিদক্ষিণঞ্চলের মানুষের স্বপ্নের পুরন লেবুখালীর পায়রা সেতুর মাধ্যমেচোরাই মোটর সাইকেল সহ চোর গ্রেফতার সৈয়দপুরেএম ইলিয়াছ আলীর সন্ধান কামনায় বিশ্বনাথে দোয়া মাহফিল

করোনা আক্রান্ত হয়ে কবরী চলে গেলেন না ফেরার দেশে

ডেস্ক রিপোর্ট:
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ১৯৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন বাংলা সিনেমার মিষ্টি মেয়ে খ্যাত অভিনেত্রী সারাহ বেগম কবরী।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্টোলিভার হাসপাতালে মারা যান তিনি।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।
কবরীর ছেলে শাকের চিশতী খবরটি নিশ্চিত করেন। খুসখুসে কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে করোনার নমুনা পরীক্ষায় দেন সারাহ বেগম কবরী। ৫ এপ্রিল দুপুরে পরীক্ষার ফল হাতে পেলে জানতে পারেন, তিনি করোনা পজিটিভ। ওই রাতেই তাঁকে ঢাকার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ৭ এপ্রিল দিবাগত রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) নেওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। অবশেষে ৮ এপ্রিল দুপুরে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে কবরীর জন্য আইসিইউ পাওয়া যায়।

বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে লাইফ সাপোর্ট নেওয়া হয়। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না।

১৯৬৪ সালে সুভাষ দত্তের ‘সুতরাং’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় কবরীর। ১৯৬৫ সালে অভিনয় করেন ‘জলছবি’ ও ‘বাহানা’য়, ১৯৬৮ সালে ‘সাত ভাই চম্পা’, ‘আবির্ভাব’, ‘বাঁশরি’, ‘যে আগুনে পুড়ি’। ১৯৭০ সালে ‘দীপ নেভে নাই’, ‘দর্পচূর্ণ, ‘ক খ গ ঘ ঙ’, ‘বিনিময়’ ছবিগুলো।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি চলে যান তিনি। সেখান থেকে পাড়ি জমান ভারতে। কলকাতায় গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি করতে বিভিন্ন সভা-সমিতি ও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন কবরী। তখনকার স্মৃতি স্মরণ করে একবার কবরী বলেছিলেন, ‘সেখানকার এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অবস্থার কথা তুলে ধরেছিলাম। কীভাবে আমি মা-বাবা, ভাইবোন, আত্মীয়স্বজন সবাইকে ছেড়ে এক কাপড়ে পালিয়ে সেখানে পৌঁছেছি, সে কথা বলেছিলাম। সেখানে গিয়ে তাদের মাধ্যমে বিশ্ববাসীর কাছে আমাদের দেশকে সাহায্যের আবেদন করি।’

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আবারও চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন কবরী। শতাধিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। ১৯৭৩ সালে ঋত্বিক ঘটক পরিচালিত ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। নায়ক রাজ্জাকের সঙ্গে ‘রংবাজ’ পায় বেশ জনপ্রিয়তা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000