মঙ্গলবার, ১৬ অগাস্ট ২০২২, ১২:০৬ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
শোক দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্বনাথের লামাকাজী ইউপি আ’লীগের সভা ও দোয়া মাহফিলপটুয়াখালীতে মিথ্যা বানোয়াট ও ভুয়া সনদপত্র দিয়ে দীর্ঘ দিন চাকুরী ও অবসর ভাতা গ্রহণের অভিযোগ উঠেছদেওয়ান বাজার ইউনিয়ন জামায়াতের ঢেউটিন বিতরণশোক দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্বনাথ পৌর কৃষক লীগের সভা ও দোয়া মাহফিলনন গিয়ার সাইকেল দিয়ে অদম্য সাহসী যুবকের ১০০তম সেঞ্চুরি রাইড সম্পন্নবকশীগঞ্জের চন্দ্রাবাজ আল নূর জামে মসজিদের নির্মাণ কাজের উদ্বোধনবিশ্বনাথে শিক্ষার্থীদের ‘আলতাফ-আফিয়া ট্রাস্ট’র বৃত্তি প্রদান করেন নুনু মিয়াসিলেট মিডিয়া কর্পোরেশন ও ফেঞ্চুগঞ্জ উত্তর কুশিয়ারা আন্তজার্তিক অনলাইন গ্রুপ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের ঢেউটিন দিলোপটুয়াখালীর দুমকিতে কৃষককে ‘অপহরণের চেষ্টার সময়’ আটক-১বিশ্বনাথে পিএফজি’র ফলোআপ সভা অনুষ্টিত

করোনার টেস্ট ও চিকিৎসায় জনদূরভোগ গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১
  • ২৮৪ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সফিকুল ইসলাম রাজা,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে করোনা টেস্ট করতে আসা রোগীদের চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। তদুপরি করোনা পজেটিভ রোগীরা কোন চিকিৎসা না পেয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

করোনা টেস্ট করতে আসা রোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, সিভিল সার্জন অফিসের পশ্চিম পার্শ্বে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের সম্মুখের খোলা চত্বরে করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহের বুথটি স্থাপন করা হয়েছে। এখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে করোনার টেস্ট করতে লাইন করে দাঁড়িয়ে থাকে। সেখানে বসার কোন ব্যবস্থা নেই। এমনকি নেই কোন চেয়ার বেঞ্চ। ফলে সারাক্ষণই রোগীদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ওখানে কোন সেডও নির্মাণ করা হয়নি। এমনকি করোনা নমুনা পরীক্ষার ফরম সংগ্রহ করে সেটি পূরণ করার মত টেবিল-চেয়ারও সেখানে রাখা হয়নি। জানা গেছে, জেলা পরিষদ থেকে জরুরী ভিত্তিতে রোগীদের জন্য একটি সেড নির্মাণের ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হলেও এখন পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেড নির্মাণের কোন উদ্যোগ নেয়নি।

এছাড়াও রোগীদের অভিযোগে আরও জানা গেছে, করোনা পজেটিভ হলে ২ থেকে ৩ ঘন্টার মধ্যে জরুরী ভিত্তিতে মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ দিলেও করোনার রিপোর্ট পাওয়া যায় একদিন পরে। রোগীদের কাছ থেকে টেস্টের জন্য দু’দফা স্যাম্পল নেয়া হয়। একটি হাসপাতালে তাৎক্ষনিক জরুরী পরীক্ষা করা হয় আর অপর স্যাম্পলটি রিপোর্টের জন্য পাঠানো হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

রংপুর থেকে রোগীদের মোবাইলে রিপোর্ট আসে একদিন পর। এদিকে করোনা পজেটিভ রোগীরা চিকিৎসার পরামর্শ পেতে চরম বিড়ম্বনায় পড়ে। এব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে টেলিফোন করলে তাদেরকে ৩৩৩ নম্বরে মোবাইল করতে পরামর্শ দেয়া হয়। ওই জরুরী নম্বরে মোবাইল করে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পরে সাড়া মেলেনা না।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000