মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২২, ১০:১১ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ১০০ শয্যা হাসপাতালের এ্যাম্বুলেন্স দুইটিই রোগাক্রান্ত, চিকিৎসার উদ্যোগ নেইশাবির ঘটনায় পটুয়াখালীর দুমকিতে ছাত্রদলের প্রতিকী অনশনআন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আর্থিক লেনদেনের ছয়টি অ্যাকাউন্ট বন্ধের অভিযোগবিশ্বনাথের লামাকাজীতে ‘ঘোড়া’ প্রতিকের নির্বাচনী মিছিল ও সভাদুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পটুয়াখালীতে বহুযাত্রী আহতসিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা চেয়ারম্যান নুনু মিয়া’র মা গুরুতর অসুস্হ, দোয়ার আরজিবিশ্বনাথে নির্বাচনী আচরণবিধি অবহিতকরণ ও মতবিনিময় সভাসিলেটের বিশ্বনাথে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভাকরোনায় আক্রান্ত ছাতকের ইউএনওসিলেটের বিশ্বনাথে টমটম চালককে চুরিকাঘাত করে গাড়ী ও মোবাইল ফোন ছিনতাই

করোনার টেস্ট ও চিকিৎসায় জনদূরভোগ গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৬ জুলাই, ২০২১
  • ১৭৫ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

সফিকুল ইসলাম রাজা,গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে করোনা টেস্ট করতে আসা রোগীদের চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। তদুপরি করোনা পজেটিভ রোগীরা কোন চিকিৎসা না পেয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

করোনা টেস্ট করতে আসা রোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, সিভিল সার্জন অফিসের পশ্চিম পার্শ্বে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের সম্মুখের খোলা চত্বরে করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহের বুথটি স্থাপন করা হয়েছে। এখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে করোনার টেস্ট করতে লাইন করে দাঁড়িয়ে থাকে। সেখানে বসার কোন ব্যবস্থা নেই। এমনকি নেই কোন চেয়ার বেঞ্চ। ফলে সারাক্ষণই রোগীদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ওখানে কোন সেডও নির্মাণ করা হয়নি। এমনকি করোনা নমুনা পরীক্ষার ফরম সংগ্রহ করে সেটি পূরণ করার মত টেবিল-চেয়ারও সেখানে রাখা হয়নি। জানা গেছে, জেলা পরিষদ থেকে জরুরী ভিত্তিতে রোগীদের জন্য একটি সেড নির্মাণের ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হলেও এখন পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেড নির্মাণের কোন উদ্যোগ নেয়নি।

এছাড়াও রোগীদের অভিযোগে আরও জানা গেছে, করোনা পজেটিভ হলে ২ থেকে ৩ ঘন্টার মধ্যে জরুরী ভিত্তিতে মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ দিলেও করোনার রিপোর্ট পাওয়া যায় একদিন পরে। রোগীদের কাছ থেকে টেস্টের জন্য দু’দফা স্যাম্পল নেয়া হয়। একটি হাসপাতালে তাৎক্ষনিক জরুরী পরীক্ষা করা হয় আর অপর স্যাম্পলটি রিপোর্টের জন্য পাঠানো হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

রংপুর থেকে রোগীদের মোবাইলে রিপোর্ট আসে একদিন পর। এদিকে করোনা পজেটিভ রোগীরা চিকিৎসার পরামর্শ পেতে চরম বিড়ম্বনায় পড়ে। এব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে টেলিফোন করলে তাদেরকে ৩৩৩ নম্বরে মোবাইল করতে পরামর্শ দেয়া হয়। ওই জরুরী নম্বরে মোবাইল করে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পরে সাড়া মেলেনা না।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000