সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান বিভাগের সিনিয়র সচিবের দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনজায়েদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন, সৎ ও মেধাবী হওয়ার সাথে সাথে উত্তম চরিত্র গঠন করতে হবে তালামিয কর্মীদের—প্রতিবছরই নেওয়া লাগতে পারে করোনার টিকাএকাধিক মামলার আসামী মাদক ব্যবসায়ী রাশেল মিয়া ওরফে সুমন গ্রেফতারমুজতবা হাসান চৌধুরী নুমান বলেছেন একটি আদর্শ সমাজ গঠনে এক দল পরিশুদ্ধ মানুষ প্রয়োজনবিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে বিশ্বনাথের মাকুন্দা নদীতে নৌ-যাত্রা৩ সপ্তাহ যাওয়ার ৩ তিন কোটি টাকার রাস্তায় ফাটলউত্তর কুশিয়ারা আন্তর্জাতিক অনলাইন গ্রুপের বাংলাদেশ সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে সাইদুল ইসলাম মিনুরকে সংবর্ধনা প্রধানবিদ্যালয়ের ভবন উদ্ভোধন উপলক্ষ্যে বিশ্বনাথে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলচেতনানাশক খাইয়ে পটুয়াখালীতে তাবলীগ জামাত সদস্যদের মালামাল লুট

করোনার ছোবলে কুয়াকাটা এখন পর্যটক শূন্য, দিশেহারা পর্যটক নির্ভর ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা

মোঃমিজানুর রহমান,পটুয়াখালী প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট, ২০২১
  • ৪৭ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগরকন্যা কুয়াকাটা। কুয়াকাটা দক্ষিণ এশিয়ায় একটি মাত্র সমুদ্র সৈকত যেখানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করা যায়।

এই অপরূপ সৌন্দর্য্য দেখতে সারাবছর জুড়ে দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকরা ভীড় জমায় সাগরকন্যার বুকে।

তবে বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯’র প্রভাবে প্রায় দু বছর পর্যটক শূন্য সাগরকন্যা কুয়াকাটা। সরকারি নির্দেশে বন্ধ পর্যটন কেন্দ্র।

পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে কুয়াকাটার পর্যটক নির্ভর ব্যবসায়ীরা।

স্বাভাবিক সময়ের ন্যায় বর্তমান পরিস্থিতিতে পর্যটক না থাকায় জিমিয়ে পড়েছে পর্যটক নির্ভর জমজমাট ব্যাবসা – বানিজ্য,দিশেহারা কুয়াকাটার পর্যটক নির্ভর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

ব্যাপক ক্ষতির মুখে হোটেল মোটেল, রেস্তোরাঁ, হকার, বিচ ফটোগ্রাফার, ছাতা ব্যবসায়ী, দোকানপাট, কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট বোট, ট্যুরিস্ট গাইড ও ট্যুর অপাটেরসহ অন্যান্য ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

হোটেল মোটেলের তথ্য অনুসারে প্রতিবছর অভ্যান্তরীন পর্যটকদের সংখ্যা প্রায় চারলক্ষ। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারনে পর্যটকদের আগমন শূণ্যের কোঠায়। ফলে পর্যটন নির্ভর ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা পথে বসে গেছে। ২০১৯ সালে পর্যটন ব্যবসায়ীরা লাভের মুখ দেখলেও ২০২০ সালে করোনা মহামারীর শুরু থেকে দিন দিন লোকসান গুনে যাচ্ছে ব্যাবসায়ীরা।

ভালো নেই কুয়াকাটার ক্ষুদ্র রাখাইন নারী ব্যবসায়ীরাও।

বৈশ্বিক মহামারী কোভিড-১৯’র প্রভাবে বন্ধ হয়ে গেছে কুয়াকাটার আদিবাসী রাখাইন নারী ব্যবসায়ীদের অর্থ উপার্জন। ফলে নারী কেন্দ্রীক রাখাইন পরিবারের জীবন-জীবিকা এখন হুমকির মুখে পড়েছে। তীব্র অর্থ সংকটের কারণে চরম হতাশায় দিনপার করছেন পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটার ৯০ ভাগ ক্ষুদ্র রাখাইন নারী ব্যবসায়ীরা।

ব্যবসায়ী চামেন বলেন, লকডাউনের আগে আমার লক্ষ টাকার উপরে বিক্রি হতো। আজ বসেবসে জমানো টাকা খেয়ে ফেলছি। সব কিছু স্বভাবিক হলে কী দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করব তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছি। সরকার যেন কম সুদে ব্যাংক লোন দিয়ে আমাদের আবার ঘুরে দাঁড়াতে সাহায্য করে।

মাচান স্টোরের মালিক মাচান বলেন, আমার পুরো পরিবার এই দোকানের আয়ের ওপর নির্ভরশীল। দোকান বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছি।

সারা পৃথিবী জুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অদৃশ্য করোনা ভাইরাস। এই কঠিন সংকটময় সময় থেকে কবে মুক্তি পাবে পৃথিবী? কবে সচল হবে অর্থনীতির চাকা, আর লোকসানের বেড়াজাল থেকে কবে মুক্তি পাবেন পর্যটক নির্ভর ব্যাবসায়ীরা?

এই ভেবেই হতাশা আর দারিদ্র্যতার সঙ্গে লড়াই করে দিন পার করছেন পর্যটক নির্ভর ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ীরা।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000