বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ০১:৫২ অপরাহ্ন

শিরোনাম :
বিশ্বনাথে ‘হাজী তেরা মিয়া ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট’র পক্ষ থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণজামালপুরের বকশীগঞ্জে অটিজম ও নিউরো ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধিতা বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা অনুষ্ঠিতমৌলভীবাজার মুনিয়া নদী থেকে বৃদ্ধের মৃতদেহ উদ্ধারমৌলভীবাজারের রাজনগরে গ্রীল ভেঙে ঘরে ঢুকে গরু চুরিবিশ্বনাথে কলেজ ছাত্রলীগের ৫ নেতাকর্মী আহত : আটক ১বিশ্বনাথের খাজাঞ্চী ইউনিয়নে ত্রাণ বিতরণ করলেন শফিক চৌধুরীনীলফামারীর সৈয়দপুরে বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া কে হত্যার হুমকি প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভমৌলভীবাজারের রাজনগরে সড়ক দূর্ঘটনায় ১জন নিহতবিশ্বনাথের রামপাশা ইউনিয়নে বন্যার্তদের মধ্যে অ্যাডভোকেট গিয়াসের চাল বিতরণরাজনগরে সম্পন্ন হলো অনলাইন ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ওয়াজ মাহফিল ও বর্তমান প্রেক্ষাপট

মো.বাবুল হোসেন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৩৫৩ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশ। ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত বাংলার শহরে, গ্রামে-গঞ্জে, পাড়া-মহল্লায় অবস্থিত মসজিদ, মাদরাসা দ্বীনের কাজে নিবেদিত সংঘটন কিংবা ধর্মপ্রাণ মুসলিম ভাইদের উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন- বেশ পরিচিত একটি চিত্র। এমন দৃশ্য সাধারনত বিশ্বের অন্য কোনো মুসলিম দেশে দেখা যায় না।
এসব ওয়াজ মাহফিলে বিশ্ব বরেন্য আলেম, পীর-মাশায়েখ ও বুজুর্গরা সাধারণ মুসলমানদের জন্য কুরআন, হাদিসের আলোকে নানা বিষয় নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক নসিহত পেশ করে থাকেন। দূর-দূরান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এসব ওয়াজ মাহফিলে অংশগ্রহণ করে থাকেন। অধীর আগ্রহ সহকারে কোরআন-হাদিসের আলোচনা শোনেন।

ধর্ম সম্পর্কে মানুষের জানার ইচ্ছা থেকেই প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে এসব মাহফিলে অংশ নিয়ে থাকেন। আর ধর্ম সম্পর্কে মানুষকে নসিহত করা আলেম-উলামাদের নৈতিক দায়িত্ব।

এ সম্পর্কে আমার প্রিয় নবী হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘(আমার ইন্তেকালের পর) লোকেরা তোমাদের অনুসারী হবে। বিভিন্ন দিক হতে তারা তোমাদের নিকট দ্বীনি জ্ঞান লাভ করার উদ্দেশ্যে আগমন করবে। অতএব, তারা যখন তোমাদের নিকট আসবে তখন তোমরা তাদেরকে সদুপদেশ দেবে। ’
কেউ যদি সারারাত ওয়াজ শোনে ফজরের নামাজ যদি পড়তে না পারে তবে ওয়াজের কোন সার্থকতা থাকে না।
তাই বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনা করে এসব ওয়াজ মাহফিল দিনে কিংবা মধ্যরাত পর্যন্ত হলে সার্বিক বিবেচনায় উত্তম মনে হয়। এতে মানুষের যেমন আমলের কোনো ব্যাঘাত হবে না, তেমনি আমন্ত্রিত আলেমদেরও কষ্ট হবে না।

ওয়াজ মাহফিল আয়োজকদের কাছে প্রত্যাশা থাকবে, ওয়াজ মাহফিলে কোরআন হাদিসভিত্তিক আলোচনার জন্য বিজ্ঞ ও বিচক্ষণ আলেম নির্বাচন করবেন। তাহলে জাতি আরও বেশি উপকৃত হবে এবং ওয়াজ মাহফিলের উদ্দেশ্য হাসিল হবে। এসব ওয়াজের মাধ্যমে পরকালে নাজাতের আশা করা যায়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000