বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
নবীগঞ্জে হামিদুর রহমান হিলালের দ্বিতীয় বইয়ের মোড়ক উন্মোচনপটুয়াখালীতে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এর জন্মদিন পালিতদুমকিতে বাল্য বিয়ে প্রতিরোধ বিষয়ক সমন্বয় সভারাজনগরের জোড়া খুনের ৫আসামী গ্রেফতারবকশীগঞ্জে বিনামূল্যে সার ও মাসকালাই বীজ বিতরণরাজনগরের সোনাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ম্যানজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক আব্দুল হাকিম রাজসৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালে আল্ট্রা সনোগ্রাম মেশিন থাকলেও সেবা থেকে বঞ্চিত রোগীরাবিশ্বনাথ পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার মাঝি হতে সিভি জমা দিলেন ১০ আ’লীগ নেতাবিশ্বনাথ পৌর নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী মো. দবির মিয়া সকলের দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেনসিলেট-সুনামগঞ্জ মহা সরক দূর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ২

ওয়াজ মাহফিল ও বর্তমান প্রেক্ষাপট

মো.বাবুল হোসেন
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৪২৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের দেশ। ডিসেম্বর থেকে শুরু হয়ে মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত বাংলার শহরে, গ্রামে-গঞ্জে, পাড়া-মহল্লায় অবস্থিত মসজিদ, মাদরাসা দ্বীনের কাজে নিবেদিত সংঘটন কিংবা ধর্মপ্রাণ মুসলিম ভাইদের উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন- বেশ পরিচিত একটি চিত্র। এমন দৃশ্য সাধারনত বিশ্বের অন্য কোনো মুসলিম দেশে দেখা যায় না।
এসব ওয়াজ মাহফিলে বিশ্ব বরেন্য আলেম, পীর-মাশায়েখ ও বুজুর্গরা সাধারণ মুসলমানদের জন্য কুরআন, হাদিসের আলোকে নানা বিষয় নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক নসিহত পেশ করে থাকেন। দূর-দূরান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা এসব ওয়াজ মাহফিলে অংশগ্রহণ করে থাকেন। অধীর আগ্রহ সহকারে কোরআন-হাদিসের আলোচনা শোনেন।

ধর্ম সম্পর্কে মানুষের জানার ইচ্ছা থেকেই প্রচণ্ড শীত উপেক্ষা করে এসব মাহফিলে অংশ নিয়ে থাকেন। আর ধর্ম সম্পর্কে মানুষকে নসিহত করা আলেম-উলামাদের নৈতিক দায়িত্ব।

এ সম্পর্কে আমার প্রিয় নবী হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘(আমার ইন্তেকালের পর) লোকেরা তোমাদের অনুসারী হবে। বিভিন্ন দিক হতে তারা তোমাদের নিকট দ্বীনি জ্ঞান লাভ করার উদ্দেশ্যে আগমন করবে। অতএব, তারা যখন তোমাদের নিকট আসবে তখন তোমরা তাদেরকে সদুপদেশ দেবে। ’
কেউ যদি সারারাত ওয়াজ শোনে ফজরের নামাজ যদি পড়তে না পারে তবে ওয়াজের কোন সার্থকতা থাকে না।
তাই বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনা করে এসব ওয়াজ মাহফিল দিনে কিংবা মধ্যরাত পর্যন্ত হলে সার্বিক বিবেচনায় উত্তম মনে হয়। এতে মানুষের যেমন আমলের কোনো ব্যাঘাত হবে না, তেমনি আমন্ত্রিত আলেমদেরও কষ্ট হবে না।

ওয়াজ মাহফিল আয়োজকদের কাছে প্রত্যাশা থাকবে, ওয়াজ মাহফিলে কোরআন হাদিসভিত্তিক আলোচনার জন্য বিজ্ঞ ও বিচক্ষণ আলেম নির্বাচন করবেন। তাহলে জাতি আরও বেশি উপকৃত হবে এবং ওয়াজ মাহফিলের উদ্দেশ্য হাসিল হবে। এসব ওয়াজের মাধ্যমে পরকালে নাজাতের আশা করা যায়।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000