বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ০৬:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নীলফামারীর সৈয়দপুরে ইউপি নির্বাচনে ২৯ চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ২৭৩ জনের মাঝে প্রতীক বরাদ্দকুমিল্লার দেবীদ্বারে টানাবর্ষণে কৃষকের ২৭৯৩ হেক্টর জমি পানিতে তলিয়েগেছেশফিউল আলম চৌঃ নাদেল বলেন,নিজের কর্মগুনেই তজম্মুল স্যার মানুষের অন্তরে বেঁচে থাকবেন চিরকালবাঙ্গালীপুরের ভোটের হাওয়া এবার সাইদুল হক বাবলুর অনুকূলে, সরগরম হাট মাঠ পাড়া মহল্লাবিশ্বনাথে নাট্যকর্মী জুয়েল আহমদ প্রবাস গমণ উপলক্ষ্যে সংবর্ধণা ও থিয়েটার আড্ডাসিলেটের বিশ্বনাথে পিএফজি’র ফলোআপ সভা অনুষ্টিতসিলেটে ঘোপালে সড়ক দুর্ঘটনায় ১ যুবক নিহত, আহত ১৫ জনতৃণমূলের ভোটে বিজয়ীকে বাদ দিয়ে হত্যা মামলার চার্জশিটভূক্ত আসামীর হাতে নৌকা দেওয়া হলোসৈয়দপুর বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার পদে মহিরের বিকল্প নাইপটুয়াখালীর দুমকিতে আমন ধানের ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে

ইউনিয়ন নির্বাচনে সিলেটে যারা জামানত হারালেন

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের ৮ শতাংকের ১ শতাংশ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারান তারা। সদ্য অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সিলেটের ৩ উপজেলার ১৫ ইউপিতে জামানত হারিয়েছেন ২৮ চেয়ারম্যান প্রার্থী।



১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এই ইউপি নির্বাচনে সিলেট জেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন ৬৮ জন।

নির্বাচন কমিশন সিলেট সূত্রে জানা গেছে, সিলেট সদরের ৪ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ২২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারা ১১ জন। কোম্পানীগঞ্জের ৫ ইউনিয়নে ২৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন ১১ জন। বালাগঞ্জের ৬ ইউনিয়নে ২০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন ১৪ জন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিলেট সদর উপজেলার ৪ ইউনিয়নের মোগলগাও ইউপিতে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরমধ্যে ২ জন জামানত হরিয়েছেন। তারা হলেন-স্বতন্ত্র প্রার্থী মোটরসাইকেল প্রতীকে আছন মিয়ার প্রাপ্ত ভোট ৫৮৩ এবং ইসলামী আন্দোলনের আব্দুশ শহীদ ৩৭৩ ভোট। জামানত বাঁচাতে প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল ১ হাজার ৯৩৮ ভোট। এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান হিরণ মিয়া ৮ হাজার ২৫৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
কান্দিগাঁও ইউনিয়নে ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের শাহেদ আহমদ হাতপাখা প্রতীকে ৩১৫ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। জামানত বাঁচাতে তার প্রয়োজন ছিল ২ হাজার ৬৬৫ ভোট। এই ইউনিয়নে জামায়াত নেতা আবদুল মনাফ চশমা প্রতীকে ১০ হাজার ৬৩২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
জালালাবাদ ইউপিতে ৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৬ জনই জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী ইসলাম উদ্দিন আনারস প্রতীকে ১ হাজার ৬৯ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়নাল আবেদীন চশমা প্রতীকে ১ হাজার ২৮ ভোট, আশরাফ সিদ্দিক অটোরিকশায় ৬৯২ ভোট, আশিক আলী ঘোড়া প্রতীকে ৩৪০ ভোট, মুজিবুর রহমান বতুল টেবিল ফ্যান প্রতীকে ২৪৬ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের হাফিজ মো. মোস্তাক হাতপাখা প্রতীকে ৯৫ ভোট। এখানে আওয়ামী লীগের ওবায়দুল্লাহ ইসহাক নৌকা প্রতীকে ২ হাজার ২৭৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এ ইউনিয়নে জামানত বাঁচাতে প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল ১ হাজার ১৭৫ ভোট।

হাটখোলা ইউনিয়নে ৬ জনের মধ্যে ২ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন-স্বতন্ত্র প্রার্থী এটিএম মুনইমুল হক চশমা প্রতীকে ১ হাজার ২৯২ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের ফজলুল করিম চৌধুরী হাতপাখায় ২৪০ ভোট। জামানত বাঁচাতে ১ হাজার ৭৭৫ ভোট পাওয়ার প্রয়োজন ছিল। এখানে খেলাফত মজলিস নেতা রফিকুজ্জামান দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে ৪ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৫ ইউনিয়নের মধ্যে ইসলামপূর পূর্ব ইউনিয়নে ৭ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মধে ৩ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন- নৌকার প্রার্থী মো. ম্ল্লুুক হোসেন ২ হাজার ৬১ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ইমতিয়াজ উদ্দিন হাতপাখা প্রতীকে ১৮১ ভোট, টেবিল ফ্যান প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুক আহমদ ৩৯ ভোট পেয়েছেন। এ ইউনিয়নে জামানত বাঁচাতে তাদের প্রয়োজন ছিল ২ হাজার ১৯১ ভোট। এখানে বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী আলমগীর হোসেন আলম আনারস প্রতীকে ৫ হাজার ২৮১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়নে ৭ প্রার্থীর মধ্যে ৪ জনই জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন-মোটরসাইকেল প্রতীকে মো. শাহাব উদ্দিন ১০৩৩ ভোট, ঘোড়া প্রতীকে স্বাতন্ত্র প্রার্থী সামছুল হক ২৪ ভোট, আনারস প্রতীকে এম এ হান্নান ২০ ভোট, চশমা প্রতীকে মুছলেহ উদ্দিন ১৭ ভোট পেয়েছেন। এ ইউনিয়নে জামানত রক্ষায় প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল ১ হাজার ২৪২ ভোট। এ ইউপিতে আওয়ামী লীগের ইকবাল হোসেন ইমাদ নৌকা প্রতীকে ৩ হাজার ৭২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

ইছাকলস ইউনিয়নে ৬ প্রার্থীর মাঝে ৪ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী জসিম উদ্দিন (আনারস) ১ হাজার ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী কুটি মিয়া (মোটরসাইকেল) ৯৯৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলনের ফিরোজ আলী (হাতপাখা) ৭৪ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আবুছাদ আব্দুল্লাহ (ঘোড়া) মাত্র ২১ ভোট পেয়েছেন। জামানত রক্ষায় প্রার্থীদের প্রয়োজন ছিল কমপক্ষে ১ হাজার ১২৪ ভোট। এখানে বিএনপি সমর্থক স্বতন্ত্র প্রার্থী সাজ্জাদুর রহমান অটোরিকশা প্রতীকে ৩ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার অপর দুটি ইউনিয়ন তেলিখাল ও উত্তর রণিখাইয়ে কোন প্রার্থী জামানত হারাননি।

বালাগঞ্জের ৬ ইউনিয়নের মধ্যে পূর্ব গৌরীপুর ইউপিতে ৫ প্রার্থীর মাঝে ঘোড়া প্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিন ৬৪৬ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলনের আওলাদ মিয়া (হাতপাখা) ২০৫ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ১ হাজার ৮১ ভোট। এ ইউপিতে বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী মুজিবুর রহমান মুজিব আনারস প্রতীকে ৪ হাজার ৪২২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

পশ্চিম গৌরীপুরে ৪ প্রার্থীর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুশাহিদ শিকদার (চশমা) ৩৮২ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। জামানত রক্ষায় তার প্রয়োজন ছিল ৯৮৩ ভোট। এখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুর রহমান আনারস প্রতীকে ২ হাজার ৯৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

পূর্ব পৈলনপুরে ৫ প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন জামানত হারিয়েছেন। তারা হলেন- খেলাফত মজলিসের মিছবাহ উদ্দিন মিছলু (দেওয়াল ঘড়ি) ৩৯৭ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মারুফ মিয়া (মোটর সাইকেল) ৭২ ভোট এবং নজরুল ইসলাম (আনারস) ৪০ ভোট। ইউনিয়নে জামানত রক্ষায় তাদের ৮৭০ ভোট প্রয়োজন ছিল। এ ইউপিতে আওয়ামী লীগের শিহাব উদ্দিন নৌকা প্রতীকে ৩ হাজার ৫৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000