শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম :
নীলফামারীর সৈয়দপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আলোচনা সভাবিশ্বনাথের দশঘরে সড়ক পাকাকরণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন এসএম নুনু মিয়ানীলফামারীর সৈয়দপুরে ১ সন্তানের জনকের লাশ উদ্ধারপটুয়াখালীতে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪২তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনস্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠকারী এম এ হান্নান সম্পর্কে ভুল তথ্য দিয়ে সমালোচনায় হানিফসৎপুর মাদরাসার ৭৫ বছরপূর্তি অনুষ্ঠান আগামী বছরের ১ লা মার্চনীলফামারীর সৈয়দপুরে অপহরণ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার, অপহৃত কিশোর উদ্ধাররাজধানীতে ফের প্যাকেজিং কারখানায় আগুননীলফামারীর সৈয়দপুরে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতারসৈয়দপুরের প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষিকা এক মাসের ছুটি নিয়ে এক বছর ধরে আমেরিকায়

অতীতে যারাই ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে তারাই শাস্তি পেয়েছে -প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১২ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৮৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার নিয়ে অতীতে যারা ছিনিমিনি খেলেছে, তারা শাস্তি পেয়েছে। ভোট চুরি করলে জনগণ ছেড়ে দেয় না। অনেকেই ২০১৮ সালের নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। নির্বাচন নিয়ে প্রশ্নকারীরা ইতিহাস ভুলে গেছেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া কেমন নির্বাচন করেছিলেন? ৪ শতাংশ ভোট পায়নি।



অতীতে ভোট চুরি থেকে শিক্ষা পেয়েছেন বিএনপিপ্রধান। বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার বিকালে আওয়ামী লীগের আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই আলোচনাসভায় শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত থেকে সভাপতিত্ব করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ পরপর তিনবার সরকারে আসতে পেরেছে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে। আজকে ১৩ বছর পূরণ করতে পারতাম না। এটা হলো বাস্তবতা। এই বাস্তবতাকে স্বীকার করতে হবে। আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এই দেশের উন্নয়নের চাকাটা গতিশীল থাকবে।

গণভবন প্রান্তে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ। কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দীপু মনি, সম্পাদক হাছান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতাকে হত্যার পরে যারা হত্যা ক্যুর ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল, তার দেশকে কী দিয়েছিল? গণতন্ত্র? কী গণতন্ত্র? আজকে নির্বাচন নিয়ে যারা কথা বলে, প্রশ্ন তোলে, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন- পঁচাত্তরের পরে সংবিধান লঙ্ঘন করে মার্শাল ল জারি করে ক্ষমতা দখল করা হয়েছিল।

একটা নয়, ১৯/২০ বার ক্যু হয়েছে সেনাবাহিনীতে। তার ফলাফলটা কি? মুক্তিযোদ্ধা, সৈনিক, অফিসার, রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা ও গুম করা হয়েছে। এর পর রাজনীতি করার শখ হয়। সেই খায়েস মেটাবার জন্য মিলিটারি ডিকটেটররা প্রথমে হ্যাঁ-না ভোট দেয়।

জিয়াউর রহমানের হ্যাঁ-না ভোটের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের হ্যাঁ-না ভোটে কি কারও না করার ক্ষমতা ছিল? সবই তো হ্যাঁ ভোট পড়ার ছিল। তার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সামরিক বাহিনীর রুলস-রেগুলেশনে একজন সেনাপ্রধান কখনো নির্বাচন করতে পারে না। কিন্তু একদিকে সংবিধান লঙ্ঘন করে; অন্যদিকে সেনাবাহিনীর রুলস ভঙ্গ করে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করে উর্দি পরে ক্ষমতায় বসে।

একদিকে সেনাবাহিনী প্রধান, একদিকে স্ব ঘোষিত রাষ্ট্রপতি। সেই নির্বাচনে জনগণ কি ভোট দিতে পেরেছিল? সেখানে ভোট ছিল কোথায়? তার পর আবার দল গঠন করা হলো। ক্ষমতায় বসে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করা। সেই দলেরই নাম হচ্ছে বিএনপি।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD
jphostbd-15000